খুলনা ব্যুরো::
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার নরনিয়ায় অষ্টম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণেরন সময় ধর্ষিতার পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষক আব্দুর রহিমকে আটক করে। তবে খবর পেয়ে রাতেই ধর্ষকের পিতা রাশিদুল বিশ্বাসের নেতৃত্বে ৮/১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ ভিকটিমের পরিবারের উপর দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে ধর্ষককে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এতে ঘটনার শিকার ছাত্রীর বাবা-মা ও কাকাসহ অন্তত ৫/৬ জন গুরুতর আহত হয়েছে।
গত শুক্রবারের ঘটনায় এঘটনায় থানায় মামলা হলে থানা পুলিশ প্রধান আসামী আব্দুর রহিম (২০) কে গ্রেফতার করেছে। সোমবার (২৭ মার্চ) রহিমকে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।
থানা পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের নরনিয়া (কাটাখাল) গ্রামের সাইফুল ইসলাম বিশ্বাসের মেয়ে ৮ম শ্রেনির ছাত্রী প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাবার খেয়ে মায়ের সাথে ঘুমিয়ে ছিলো। একপর্যায়ে রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঐ ছাত্রী ঘরের বাইরে আসামাত্র পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা একই এলাকার রাশিদুল বিশ্বাসের ছেলে আব্দুর রহিম তার মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাশে একটি ক্ষেতের পরিত্যক্ত বাসায় নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করতে থাকে।
এদিকে কিশোরীর মায়ের ঘুম ভেঙ্গে গেলে পাশে মেয়েকে না পেয়ে তার বাবা-কাকাদের সাথে নিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এক পর্যায়ে ঐ বাসা থেকে রহিমকে আটক ও কিশোরী মেয়েকে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।
অন্যদিকে খবর পেয়ে রাতেই রহিমের পিতা রাশিদুল বিশ্বাসের নেতৃত্বে ৮/১০ জনের সশস্ত্র একটি গ্রুফ ভিকটিমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে রহিমকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় তারা ভিকটিমের পিতা সাইফুল ইসলাম (৪৫) কাকা খায়রু সলাম (৪০) কামরুল (৩৫) ও তার মাসহ ৫/৬ জনকে এলাপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে চলে যায়।
এঘটনায় থানায় একটি মামলা হলে থানা পুলিশ প্রধান আসামী আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করে সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠিয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহ-আলম জানান, মামলায় প্রধান অসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদেরও গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত রয়েছে।