নিজস্ব প্রতিবেদক, (পাইকগাছা) খুলনা::
খুলনার পাইকগাছা পৌর কাউন্সিলর কবিতা রানী দাশকে চোর বলে অভিহিত করায় কলেজ শিক্ষক সুধাংশু মন্ডল’র বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ঐ কাউন্সিলর। আদালত মামলাটি তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআই খুলনাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
গত ২ সেপ্টেম্বর জনৈক পূর্ণ চন্দ্র মন্ডলের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের একটি পোস্টে ‘‘পাইকগাছায় এক মহিলা কাউন্সিলের বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আতœসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানাযায়, এই টাকার জন্য গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকা পরিশোধ করতে পারছেনা জোনাকি সমিতি কর্র্তৃপক্ষ। প্রশ্ন দেড় কোটি টাকা বাদে আর বাকি টাকা কার কাছে? নিশ্চই কর্তৃপক্ষের কাছে। তাহলে এত টাকা থাকতে গ্রহকরা হয়রাণি হচ্ছে কেন? উদও পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানো হচ্ছেনা তো? যারাই জড়িত থাকুক, একটা গ্রাহক যেন তাদেও প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত না হয়। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী’’
ফেসবুকের এই পোস্টে বিভিন্নজন নানা কমেন্টেস করেছেন। যার মধ্যে একজন ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের শিক্ষক সুধাংশু মন্ডল। তিনি তার কমেন্টেসে উল্লেখ করেন- চোর, ফসিয়ার রহমান জনকল্যাণ সমিতি থেকে চুরি করেছিল। এরপর শিক্ষক সুধাংশু ও তার পক্ষের লোকজন কমেন্টস’র কপি প্রিন্ট করে বিভিন্ন হাটে, মাঠে, ঘাটে, বাজারে ও চায়ের দোকানে প্রচার ও বিলি করেন। যাতে কাউন্সিলর কবিতা রানী দাশ’র সামাজিক, পারিবারিক, রাজনৈতিক সুনাম ও মানমর্যাদার হানি ঘটে।
এরপর কাউন্সিলর কবিতা রানী দাশ আইনজীবির মাধ্যমে নোটিশ প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে তার মানহানির ক্ষতিপূরণ বাবদ এক লক্ষ টাকা টাকার নোটিশ প্রদান করেন। নেটিশের জবাবে সুধাংশু মন্ডল বলেন, তিনি সরল বিশ্বাসে কমেন্টটি করেছেন। পরবর্তীতে সুধাংশু মন্ডল গত ২২ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলর কবিতাকে দেখে প্রকাশ্যে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন।
সর্বশেষ ঘটনায় পাইকাা পৌরসভার ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের তিন তিন বার নির্বাচিত মহিলা কাউন্সিলর কবিতা রানী দাশ বাদী হয়ে পাইকগাছা ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের শিক্ষক সুধাংশু মন্ডলকে আসামী করে ২৬ সেপ্টেম্বর পাইকগাছা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তা তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআিই খুলনাকে নির্দেশ দিয়েছেন।