1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কয়রায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহিত দিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ ভোর রাতে শিক্ষকের বাড়িতে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ধানের গোলা সৈয়দপুরে বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ অক্টোবরে পাইকগাছায় পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৪ মাদক কারবারি, মাদকদ্রব্য উদ্ধার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তোমরা প্রত্যেকে বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর : প্রধানমন্ত্রী মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ডুমুরিয়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে বিএনপি নেতার ছেলেকে গুলি করে হত্যা কয়রায় সাইবার নিরাপত্তায় সচেতনতা বাড়াতে  স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দদের সাথে অ্যাডভোকেসি নতুন বেতনস্কেলে তিন মাসের বকেয়া বিল জমা শুরু ৮ নভেম্বর

সংবাদ সম্মেলনে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল ও রিজভী

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৭ বার পঠিত
faqrul-rizvi-15218
  • দীপ্ত নিউজ ডেস্ক ::

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সংবাদ সম্মেলনে এসে কাঁদলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসে দলটির এই দুই নেতাকে কাঁদতে দেখা যায়।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই সংবাদটি নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে হবে আমরা সেটা কখনও ভাবিনি। আমরা আশা করছিলাম, তিনি আগের মতোই আবার সুস্থ হয়ে উঠবেন। আপনারা এরইমধ্যে শুনেছেন ড. শাহাবুদ্দিনের ঘোষণায়, আজ ভোর ৬টায় গণতন্ত্রের মা, আমাদের অভিভাবক, আমাদের জাতীয় অভিভাবক আমাদেরকে ছেড়ে চলে গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। এই শোক, এই ক্ষতি অপূরণীয়। এই ক্ষতি জাতি কোনোদিন পূরণ করতে পারবে না। যে নেত্রী সারাটি জীবন জনগণের অধিকারের জন্য, কল্যাণের জন্য একটি তার সমগ্র জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন সে নেত্রী আমাদের মাঝে আর নেই। বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বিশাল শূন্যতা তৈরি হলো। শুধু তাই নয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনেরও বিশাল একটি শূন্যতা তৈরি হলো।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সংকটে শোকে মাথার উপর যেমন মায়ের একটি ছায়া থাকে, আজকে জাতি যেন সে ছায়া থেকে বঞ্চিত হলো। তিনি অসুস্থ ছিলেন, হাসপাতালে ছিলেন, কখনো বাসায়, এতে করেও আমাদের মনে হতো, একজন মা তো আছেন। সে কারণে আমরা এতটা শক্তি পেতাম। এটা বোঝানোর এবং বলার ভাষা আমি পাচ্ছি না। সেই ছাত্র রাজনীতি থেকে একটা দীর্ঘ সময় যার নেতৃত্বে ছায়ায় বেড়ে ওঠা, তিনি এত তাড়াতাড়ি চলে যাবেন, এটা বড়ই বেদনার। এই শোক এবং সংকট কাটিয়ে ওঠা জাতির জন্য খুব মুশকিল। এত নিপীড়ন সহ্য করে চোখের সামনে সন্তানের লাশ দেখে, শুধুমাত্র দেশ এবং গণতন্ত্রের জন্য অটুট মনোবল দিয়ে তিনি টিকে থেকেছেন। সারাদেশ এবং সারা বিশ্ব নিপীড়িত মজলুম নেত্রীর জন্য গভীর শোক জানাচ্ছে।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর