1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কয়রায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহিত দিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ ভোর রাতে শিক্ষকের বাড়িতে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ধানের গোলা সৈয়দপুরে বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ অক্টোবরে পাইকগাছায় পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৪ মাদক কারবারি, মাদকদ্রব্য উদ্ধার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তোমরা প্রত্যেকে বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর : প্রধানমন্ত্রী মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ডুমুরিয়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে বিএনপি নেতার ছেলেকে গুলি করে হত্যা কয়রায় সাইবার নিরাপত্তায় সচেতনতা বাড়াতে  স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দদের সাথে অ্যাডভোকেসি নতুন বেতনস্কেলে তিন মাসের বকেয়া বিল জমা শুরু ৮ নভেম্বর

সরকার গণমাধ্যমের জন্য ভয়মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : তথ্যমন্ত্রী

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯০ বার পঠিত
shawpon-15745
  • দীপ্ত নিউজ ডেস্ক ::

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের জন্য একটি ভয়মুক্ত ও স্বাধীন কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন যে, বিগত বছরগুলোর রাজনৈতিক আন্দোলন ও দীর্ঘ সংগ্রামের পথে গণমাধ্যমের সাহসী ভূমিকা রাজপথের কর্মীদের চেয়ে কোনো অংশে কম ছিল না। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করাকে নতুন সরকার তাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে।

জহির উদ্দিন স্বপন তার বক্তব্যে দেশের গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সকল সাংবাদিক, নীতিনির্ধারক ও উদ্যোক্তাদের প্রতি নতুন সরকারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সময় গণমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মগুলো একেকটি লড়াইয়ের ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল।

সরকার যেভাবে অন্যান্য রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের মূল্যায়ন করছে, গণমাধ্যমকেও ঠিক একইভাবে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা জানানো হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। তথ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, সাংবাদিকদের সবসময় নজরদারির মধ্যে রেখে স্বাধীন সাংবাদিকতা সম্ভব নয়, তাই এই ধরণের সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে একটি উন্মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও গুজবের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন যে, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির কারণে এটি বর্তমানে বিশ্বব্যাপী একটি বড় সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে। প্রযুক্তির এই ক্ষমতার যেমন ইতিবাচক দিক রয়েছে, তেমনি এটি নেতিবাচক চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে।

সরকার এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করছে এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমেই গুজব প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, গণমাধ্যমের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নির্ভেজাল ও সত্য তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সেই নীতির আলোকেই সরকার সকল সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেবে।

নিজে একজন নির্যাতিত রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জেল-জুলুম ও ভয়ভীতির মানসিক চাপ সম্পর্কে তিনি সম্যক অবগত আছেন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমের মতো সম্মানিত পেশায় যারা কাজ করেন, তাদের যদি সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়, তবে তা রাষ্ট্রের জন্য কাম্য নয়।’ প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন ও সংস্কার পরিকল্পনায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন। আজকের এই সাক্ষাৎ মূলত একটি সৌজন্য বিনিময় ছিল এবং আগামীতে তিনি গণমাধ্যমের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনায় বসবেন বলে জানিয়েছেন।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর