1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ইসরায়েলি-মার্কিন হামলায় ইরানে ৯৩ হাজারেরও বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত ইরান যুদ্ধে হুথিদের যোগদানে পাল্টে যাচ্ছে খেলা? ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল হামলার শঙ্কা, যেভাবে শুরু হতে পারে আক্রমণ রেশনিং করে ঠেকাচ্ছে ক্ষেপণাস্ত্র চতুর্মুখী হুমকিতে ইসরায়েল, ফুরিয়ে আসছে ইন্টারসেপ্টর মধ্যপ্রাচ্যে সাড়ে তিন হাজার মেরিন সেনা এনেছে যুক্তরাষ্ট্র পাইকগাছায় জেলা পরিষদ প্রশাসক বাপ্পীকে ফুলেল শুভেচ্ছায় গণসংবর্ধনা জ্বালানি তেল সাশ্রয়ে সাইকেলে চেপে অফিস গেলেন সাবেক এমপি শিল্পপতি সিদ্দিক সিরাজদিখানে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলায় আহত ২ কয়রায় খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পীকে গণ সংবর্ধনা সৈয়দপুরে আর্থিক অনটনে পড়ে ট্রাক চালকের আত্মহত্যা!

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল হামলার শঙ্কা, যেভাবে শুরু হতে পারে আক্রমণ

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৭ বার পঠিত
iran-attacked-by-us-16195
  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::

ইরানে চলমান যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতির কথা বলছে। কিন্তু এর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে আসছে তাদের সেনারা। যদি ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কোনো সমাধান না আসে তাহলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনা পেয়ে এসব সেনা ইরানে স্থল হামলা শুরু করতে পারে।

সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান শনিবার (২৮ মার্চ) এক প্রতিবেদনে বলেছে, নিজেদের নৌবাহিনীর ৩১ ও ১১তম এক্সপেডিশনারি ইউনিটের কয়েক হাজার সেনাকে এশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এর পাশাপাশি ৮২তম এয়ারবোর্ন প্যারাট্র্যুপারের প্রায় ২ হাজার সেনাকেও মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে। এসব সেনাকে মাত্র ১৮ ঘণ্টার নোটিশের মধ্যে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে মোতায়েনের দায়িত্ব দেওয়া আছে। এই প্যারাট্রুপাররা প্যারাস্যুট নিয়ে ‘প্রতিরক্ষাসমৃদ্ধ বিমানঘাঁটিতেও’ অবতরণ করতে পারেন। তাদের কাজ হলো, বিমানঘাঁটি দখল করে পরবর্তী স্থল হামলার সুযোগ তৈরি করা।

ইরানে স্থল হামলা হলে কিভাবে শুরু হতে পারে? কোথায় হামলা হতে পারে?

দ্য গার্ডিয়ান বলেছে, হামলার সবচেয়ে বড় লক্ষ্যবস্তু হতে পারে খার্গ দ্বীপ। ৯ স্কয়ার মাইলের চেয়েও ছোট এ দ্বীপটি ইরানের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। এই দ্বীপ থেকেই নিজেদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে তেহরান। যদি ইরান দ্বীপটি হারায় তাহলে এটি দেশটির সরকারের জন্য বড় ধাক্কা হবে।

সংবাদমাধ্যমটি আরও বলেছে, ইরাক ও আফগানিস্তানে স্থল হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ সেনা জড়ো করছিল, এখন ইরানে স্থল হামলার প্রস্তুতিতে তার চেয়ে কম সেনা এনেছে দেশটি।

মার্কিন সেনারা যদি খার্গ দ্বীপ দখল করতে যান তাহলে তাদের ড্রোন, কামান এবং রকেট হামলার মুখোমুখি হতে হবে। এছাড়া এই দ্বীপের কাছাকাছি নোঙর করতে মার্কিন সেনাদের অন্তত একদিন সময় লাগবে। ইরান বিষয়টি জানতে পারলে দ্বীপ ও ওই অঞ্চলের আশপাশে দ্রুত মাইন স্থাপন করতে পারবে।

এমনকি মার্কিনিরা যদি দ্বীপটি দখল করেও; তাহলে ইরানের অব্যাহত হামলার মুখে তারা ‘কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের আগে বা যুদ্ধবিরতির আগে বা ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলতে বাধ্য করার আগ পর্যন্ত’ কতদিন এটি দখলে রাখতে পারবে সেই প্রশ্নও আছে।

খার্গ দ্বীপের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য জায়গাতেও স্থল হামলার চেষ্টা করতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত দ্বীপগুলোতে। যার লক্ষ্য থাকবে তাৎক্ষণিকভাবে হরমুজ খুলে দেওয়া।

সম্ভাব্য হামলার মধ্যে থাকতে পারে কাশেম দ্বীপ। এটি পারস্য উপসাগরের সবচেয়ে বড় দ্বীপ। তবে ৫৬০ স্কয়ার মাইলের দ্বীপটি মার্কিন সেনাদের জন্য দখল করা এত সহজ হবে না।

এই দ্বীপে ইরানি বাহিনী অ্যাটাক ক্রাফট, ড্রোন এবং সামুদ্রিক মাইন রেখেছে।

আরেকটি সম্ভাব্য হামলাস্থল হতে পারে লারাক। এই স্থানটিতে ইরান অস্ত্র রেখেছে। এসব অস্ত্র দিয়েই হরমুজ প্রণালির অবরোধ অব্যাহত রাখা হয়েছে। এটির পাশাপাশি আবু মুসা দ্বীপেও হামলা হতে পারে।

গার্ডিয়ান বলেছে, ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে যেসব সেনা পাঠাচ্ছে তাদের আরেকটি দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সেটি হলো, ইরানের ৪৪০ কেজি সমৃদ্ধকরণকৃত ইউরেনিয়াম স্থল অভিযান চালিয়ে নিয়ে আসা। গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামোতে হামলার পর ৪৪০ কেজি সমৃদ্ধকরণকৃত ইউরেনিয়াম ‘নিখোঁজ’ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা রয়েছে, বিশাল আকাশ অভিযান চালিয়ে এই ইউরেনিয়ামগুলো নিয়ে আসা।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর