1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সৌদিতে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বিমান ধ্বংস চিকিৎসার খরচ যোগাতে সন্তান বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া সেই আত্তাপের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়ালেন বিএনপি নেতা এনামুল মধ্যরাতের পর ইসরায়েলে পাঁচ দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি ওমান উপসাগরও এখন আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে : ইরান পদ্মায় গোসল করতে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ ডুমুরিয়ায় আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড দাবা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা খুলনার প্রথম নারী জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত পদ্মা সেতুতে রেললাইনে চুরি, ঝুঁকিতে ট্রেন চলাচল ইসরায়েলি-মার্কিন হামলায় ইরানে ৯৩ হাজারেরও বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত ইরান যুদ্ধে হুথিদের যোগদানে পাল্টে যাচ্ছে খেলা?

হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি ওমান উপসাগরও এখন আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে : ইরান

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ২৯ বার পঠিত
iran-hormuj-16202
  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::

হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি ওমান উপসাগরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইরানের সামরিক বাহিনীর হাতে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির নৌবাহিনীর একজন কমান্ডার। ওই অঞ্চলে মোতায়েনরত মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানি ওই কমান্ডার বলেছেন, ইরানের সামরিক বাহিনী মার্কিন সৈন্যদের তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় আসার অপেক্ষায় রয়েছে। সীমার মধ্যে এলেই উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৎপরতা ও সামরিক মহড়ার মুখে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ ইরানি জলসীমা থেকে শত শত মাইল দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

ইরানের ওই কমান্ডার বলেন, হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চল এবং ওমান উপসাগর বর্তমানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

• কেন হরমুজ প্রণালি এত গুরুত্বপূর্ণ?
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত সমুদ্রপথ। এটি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এত উত্তেজনা কেন জেনে নেওয়া যাক…

• বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ধমনী : বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। সৌদি আরব, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েতের মতো বড় তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো এই পথের ওপর নির্ভরশীল।

• ভৌগোলিক অবস্থান : এর একপাশে ইরান এবং অন্যপাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। প্রণালিটির সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ মাত্র ২১ মাইল প্রশস্ত, যা সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা তুলনামূলক সহজ।

• বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব : ইরান যদি এই পথ দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়, তাহলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অকল্পনীয়ভাবে বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক মন্দার কারণ হতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর