গত ২১ মে অনলাইন দৈনিক দীপ্ত নিউজ২৪.কম এ কপিলমুনির শিক্ষক মিলন চুড়ান্ত বরখাস্ত শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ করেছেন কে আর আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিলন রায়। তিনি তার প্রতিবাদে উল্লেখ করেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ একটি কূচক্রিমহল স্বীয় স্বার্থ চরিতার্থে ব্যর্থ হয়ে বিভিন্ন সময় তাকে স্কুল থেকে বিতাড়নের ষড়যন্ত্র করে আসছিলেন। যার ধারাবাহিকতায় গত ৫ নভেম্বর ২৪’ একটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্কুল থেকে আমাকে ৭ দিনের কারণ দর্শানো নোটিশ এবং ৭ দিন অতিবাহিত হওয়ার আগেই ৮/১১/২৪ তারিখে বে-আইনীভাবে এডহক কমিটিকে প্রভাবিত করে আমাকে সাময়ীকভাবে বরখাস্তের নির্দেশ দেন। এরপর গত ২০/১১/২৪ তারিখে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২য় আদালত খুলনায় ১৩৫/২৪ নং একটি মামলা করেন। উক্ত মামলায় গত ২১ মে আদালতে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় আমাকে অব্যাহতি দেয়। এরও আগে প্রধান শিক্ষকের উক্ত প্রথম নোটিশের প্রেক্ষিতে আমি গত ইং ১০/১১/২৪ তারিখে জবাব দেই।
কারণ দর্শানো নোটিশের নির্দিষ্ট তারিখের আগেই বরখাস্ত করণে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ পাইকগাছা সিনিয়র জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করি। যার নং-২৮৫/২৪। মামলাটি চলমান থাকাবস্থায় প্রধান শিক্ষক সকল তথ্য গোপন করিয়া সম্পূর্ণ মিথ্যা ও পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, যশোরে একটি অভিযোপত্র দাখিল করেন। উক্ত অভিযোগের কোন প্রকার নোটিশ স্কুল কিংবা বোর্ড কতৃপক্ষ আমাকে কোনভাবেই অবহিত না করে দে: আদালতে ২৮৫/২৪ নং মামলায় লিখিত জবাবদানে প্রতিদ্বন্দিতা করাকালীণ সময়ে প্রধান শিক্ষক সম্পূর্ণ বে-আইনী ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আপিল এন্ড আর্বিট্রেশনে গত ১৬/০৩/২৫ ইং তারিখে অনলাইনের মাধ্যমে একটি আবেদন করেন। উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে শিক্ষাবোর্ড নোটিশগুলো ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করে। যা আমার অজ্ঞাত থাকে। যদিও উক্ত আবেদনের বিষয়ে আমি অবগত থাকিলে অবশ্যই আমার স্বপক্ষের কাগজ-পত্রাদি উত্থাপনপূর্বক লিখিত জবাব প্রদানসহ আত্নপক্ষ সমর্থন করিতে পারিতাম। যে কারণে উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বোর্ড কর্তৃক একতরফাভাবে আমার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
যার প্রেক্ষিতে আমি গত ইং ১৮/০৫/২৬ তারিখে বিঅ-৬/৪০৬০/২২৮ নং স্মারকের ইং ২৯/০৪/২৬ তারিখের আদেশটি পূণ:বিবেচনার জন্য যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করিয়া বিদ্যালয় পরিদর্শক ও চেয়ারম্যান বরাবর একটি আবেদনপত্র দাখিল করিয়াছি। যেহেতু সামগ্রিক প্রক্রিয়া চলমান থাকাবস্থায় প্রধান শিক্ষক সাংবাদিদের দিয়ে আংশিক তথ্য সরবরাহ করে আমার বিরুদ্ধে তথ্যবিভ্রাটমূলক সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে তাই, আমি ঐ সংবাদের আংশিক প্রতিবাদ করছি।
বিনীত নিবেদক
মিলন কুমার রায়
কাশিমনগর, পাইকগাছা, খুলনা।