সোমবার (৩ অক্টোবর) বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের জড়িয়ে যে, খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে দিলীপ দাশ থানায় মিথ্যা বিবরনে অভিযোগ ও সাংবাদিকদের দিয়ে ঐ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য পরিবেশন করিয়েছে।
মূলত আমি পিটিডি সুন্দরবন টেকনিক্যাল এন্ড ভোকেশনাল স্কুল এন্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী। আমার একমাত্র ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এইচ,এস,সি পরীক্ষার্থী। ঘটনার দিন গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমনিক সাড়ে ৮ টার দিকে আব্দুল্লাহ আল মামুন কপিলমুনি কলেজে ভোটার আইডি কার্ডের জন্য ছবি তুলতে যায়। এসময় কপিলমুনির নাছিরপুর গ্রামের অধিবাসী ও কাশিমনগর বাজারের ওয়ার্কসপ ব্যাবসায়ী দিলীপ দাশের ছেলে ইন্দ্রজীত দাশসহ তার সাথে থাকা ১৫/২০ জন ছেলেরা সংঘবদ্ধভাবে তাকে একা পেয়ে বেদম মারপিট করে। একপর্যায়ে তার কান দিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। বিষয়টি বাড়িতে এসে আমাদের জানালে আমিসহ আমার ভাসুরের স্ত্রীরা ছেলের মারপিটের কারণ জানতে তাদের বাসায় যাই। একই সাথে আমার স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ রবিউল ইসলামকে অবগত করি। তিনি দিলীপকে ডেকে পাঠালে উভয়ের সম্মতিতে পূজার পর শুক্রবার বিষয়টি নিয়ে বসাবসির কথা বলেন।
এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে, মূল ঘটনাটিকে আঁড়াল করে দিলীপ দাশ পাইকগাছা থানায় মিথ্যা বিবরণে একটি অভিযোগ ও স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করেছে। যাতে আমাকে চায়ের দোকানি, কিশোর গ্যাং সংগঠিত ও পরিচালনা এবং আমার ছেলের নেতৃত্বে কিশোর গ্যাং পরিচালিত হয়। এমনকি ঘটনার দিন আমার ছেলে একটি মেয়েকে নিয়ে নাকি রোমান্স করছিল উল্লেখ করে বলা হয়, ঘটনায় দিলীপের ছেলে ইন্দ্রজীত এর প্রতিবাদ করলে কিশোর গ্যাং এর হোতা আমার নের্তৃত্বে দিলীপের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি রবিবার (২ অক্টোবর)¡ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকেফের আমার নের্তৃতে দিলীপ দাশ বাড়িতে না থাকার সুযোগে মামুন, তহমিনা, জাহান আলী, আলম সরদার, মান্না গাজী, মুন্না গাজীসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৮/১০ জন কিশোর গ্যাং নিয়ে দিলীপের নাছিরপুর ভাড়া বাড়িতে হামলা চেষ্টার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
মূলত আমি তহমিনা বেগম স্থানীয় কাশিমনগর পিটিডি সুন্দরবন টেকনিক্যাল এন্ড ভোকেশনাল স্কুল এন্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী। আমার ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন একই কলেজের এইচ,এসসি পরীক্ষার্থী। জাহান আলী আমার আপন ভাসুর, আলম জাহান আলীর ছেলে, মুন্না গাজী আমার মেয়ের জামাই, মান্না আমার জামাইয়ের আপন ছোট ভাই। উল্লেখিত ব্যাক্তিরা কি করে কিশোর হয়? এবং তাদের দ্বারা কিশোর গ্যাং পরিচালনা কিভাবে সম্ভব?
প্রকৃত পক্ষে দিলীপ তার ছেলেকে বাঁচাতে মূল ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সাজানো বর্ণনায় থানায় মিথ্যা অভিযোগ ও সাংবাদিকদের কাছে বানোয়াট তথ্য পরিবেশন করিয়েছে। আমি উক্ত খবরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে প্রকৃত ঘটনার তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
বিণীত নিবেদক
তহমিনা খাতুন
কাশিমনগর,পাইকগাছা,খুলনা।