1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
পাইকগাছায় মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত দুই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার, আটক ২ বিএফআরআই এর ডিজি’র লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন কপিলমুনি কলেজে এইচএসসিতে পাশের হার ৪২.৫০, জিপিএ-৫-৬জন বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে : সৈয়দপুরে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক কয়রায় অবৈধভাবে ঝিনুক পাচারকালে পাইকগাছার ১ব্যক্তি আটক এইচএসসি পরীক্ষায় সৈয়দপুরের ৮ কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৮১জন শিক্ষার্থী পাইকগাছায় ৪ দিনব্যাপি ১৩তম দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় মতুয়া মহাসম্মেলন শুরু ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী রূপপুরে শুরু হলো পাওয়ার স্টার্টআপ ‘স্টেজ-সি’ কার্যক্রম একযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

আমন ধানের বাম্পার ফলনে ডুমুরিয়ার কৃষকের মুখে হাসি

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৫১ বার পঠিত
dumuriya-14543
  • শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা) ::

“কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ”—এই কথাটিই যেন আবার সত্য প্রমাণ করলেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার পরিশ্রমী কৃষকরা।

চলতি মৌসুমে উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে লেগেছে হাসি।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সবুজে মোড়া মাঠের পর মাঠ যেখানে চোখ রাখি সেখানেই ধানগাছের ঢেউ। কৃষকের মুখে তৃপ্তির হাসি আর মনে আশার আলো।

খর্নিয়া ইউনিয়নের কৃষক নুরুল ইসলাম জানান, “বর্ষা মৌসুমে ধান চাষে সেচ কম লাগে, তবে পোকামাকড়ের আক্রমণ কিছুটা বেশি হয়। কীটনাশক ও সারের দাম বেড়েছে, তবু ফলন ভালো হওয়ায় এবার ধান চাষে লাভবান হব বলে আশা করছি।”

শোভনা ইউনিয়নের কৃষক মো. আবুল কালাম বলেন, “আমি ব্রি ধান ৭৫ জাতের ধান লাগিয়েছি। বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২২ মণ ধান পাব বলে আশা করছি।”

রুদাঘরা ইউনিয়নের কৃষক কায়সার আলী জানান, “আমি এবার নতুন ব্রি ধান ১০৩ চাষ করেছি। সব ঠিক থাকলে বিঘাপ্রতি ২৮ থেকে ৩২ মণ পর্যন্ত ফলন হবে বলে আশা করছি। তবে সার ও শ্রমিকের দাম অনেক বেড়েছে। এখন ধান কাটতে একজন
শ্রমিককে ৭০০-৮০০ টাকা দিতে হচ্ছে, তবুও শ্রমিক পাওয়া কঠিন।”

ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আমি ব্রি ধান ৪৯ জাতের ধান চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। এক বিঘা জমিতে ২৮-৩০ মণ ধান উৎপাদন হবে বলে ধারণা করছি।”

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসাদ ইবনে আমিন জানান,“চলতি মৌসুমে উপজেলায় 14 হাজার ৯৩৯ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ব্রি ধান ৪৯, ৭৫, ৮৭, বিনা ধান ১৭ এবং নতুন ব্রি ধান ১০৩ সহ বিভিন্ন জাতের ধান আবাদ করা হয়েছে। কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলন আশানুরূপ হওয়ায় কৃষকরা সন্তুষ্ট।”

খুলনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “এ বছর অনুকূল আবহাওয়া ও কীট পতঙ্গের তেমন কোনো আক্রমণ না থাকায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে চাষ হয়েছে এবং ফলনও বেড়েছে। বাম্পার ফলনে কৃষকরা অত্যন্ত খুশি। আবহাওয়া ও বাজারদর অনুকূলে থাকলে তারা প্রত্যাশিত লাভবান হবেন।”

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর