- কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি ::
খুলনার কয়রা উপজেলায় ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। ‘কয়রা সাংবাদিক ফোরাম’ নাম ব্যবহার করে চক্রটি বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চক্রটির নেতৃত্বে রয়েছেন কয়রা সদর ইউনিয়নের গোবরা গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান মিস্ত্রীর ছেলে তারিক হাসান লিটু।
অভিযোগ রয়েছে, তার নেতৃত্বে একটি দল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ও ফটোকার্ড ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে অর্থ আদায় করছে। ইতোমধ্যে একাধিক ভুক্তভোগী তার বিরুদ্ধে কয়রা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি জামায়াত কর্মী হত্যা মামলার একজন আসামি। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি ও তার সহযোগীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক প্রচারণা চালাচ্ছেন, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শরিফুল আলম বলেন, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তারা অনুমোদনহীন অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এবং এক পর্যায়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করছে। এতে প্রকৃত সাংবাদিকদের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে উপজেলার সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।
কয়রা উপজেলা সুজনের সভাপতি মোস্তফা শফিকুল ইসলাম বলেন, এধরণের অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে না হলে সমাজে সাংবাদিকদের মর্যাদা চরমভাবে ক্ষুন্ন হবে। এব্যাপারে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর বলেন বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্ৰহন করা হবে।