1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সৈয়দপুর পৌর প্রশাসকের তদারকিতে মশক নিধনসহ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত অস্ত্র মামলায় যুবকের ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ডুমুরিয়ায় নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা রাকসুর জিএস আম্মারের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবিতে কয়রায় বিক্ষােভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা কয়রায় দুই দিন পর নিখোঁজ ২ জেলের মরদেহ উদ্ধার পাইকগাছায় তাঁতিদল সভাপতির বহিষ্কারাদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি ফুটপাত ও সড়ক দখল, যানজটের যন্ত্রণায় নাকাল সৈয়দপুরবাসী কয়রায় মাদ্রাসা সুপারকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ পাইকগাছায় পুলিশ কর্মকর্তার মায়ের খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন পাইকগাছায় পাউবোর জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

কয়রায় মাদ্রাসা সুপারকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৬ বার পঠিত
Humki-16264
  • কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি ::

খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের বেজপাড়া হায়াতুন্নেছা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ আজহারুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ জীবননাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের আয়ের উৎস হিসেবে পরিচিত ইজারাকৃত জমির অর্থ আদায়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী মাদ্রাসা সুপার মোঃ আজহারুল ইসলাম এ বিষয়ে প্রতিকার ও জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার ইবতেদায়ী জুনিয়র শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলামের তথ্যে প্ররোচিত হয়ে স্থানীয় মোঃ ফেরদৌস হোসেন (পলাশ) দীর্ঘ দিন ধরে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ইতিপূর্বে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই তিনি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ ও মহামান্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করে মাদ্রাসার স্বাভাবিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত করে আসছেন।

সর্বশেষ গত ৬ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে বিবাদী তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন থেকে মাদ্রাসা সুপারকে সরাসরি অঙ্গহানি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন।

এ সংক্রান্ত অডিও রেকর্ড সুপারের নিকট সংরক্ষিত আছে বলে জানা গেছে। মাদ্রাসার উন্নয়নের স্বার্থে স্থানীয় আলাউদ্দিন ঢালির নিকট প্রতিষ্ঠানের জমি ইজারা দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, বিবাদী ফেরদৌস হোসেন ওই ইজারার টাকা মাদ্রাসার তহবিলে জমা দিতে সরাসরি বাধা প্রদান করছেন।

তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এই অর্থ গ্রহণ করলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করা হবে। এর ফলে একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত ব্যয় নির্বাহ ও উন্নয়ন কাজ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক জানান, ব্যক্তিস্বার্থ বা প্রতিহিংসার কারণে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। এ ব্যপারে মাদ্রাসা সুপার মোঃ আজহারুল ইসলাম বলেন, আমি একজন শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। ইতিপূর্বে থানায় এবং স্থানীয়ভাবে অভিযোগ দিলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিবাদী আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। আমি প্রশাসনের কাছে আমার নিরাপত্তা এবং প্রতিষ্ঠানের সম্পদ রক্ষার আকুল আবেদন জানাই। মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, মাদ্রাসা সংক্রান্ত বিষয়ে একটু অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর