1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে সৃষ্ট মব’এ হত্যাকান্ড, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ইরানের ‘নতুন রণকৌশল’ অচেনা পরিস্থিতির মুখে ফেলবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সৈয়দপুর পৌর এলাকার রাজস্ব বৃদ্ধি বিষয়ক কর্মশালা জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য : প্রধান তথ্য কমিশনার সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় সবাইকে সচেতনভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির পাইকগাছায় পুলিশি অভিযানে বিভিন্ন মামলায় আটক ৮ পাইকগাছায় স্থানীয় সরকার বাজেট প্রণয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ কয়রা উত্তরচক মাদ্রাসায় কর্মচারী নিয়োগ, অপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন আদালতের রায়-ডিক্রি পেলেও জমির দখল পাচ্ছে না মালিক! শারদীয় দুর্গা উৎসবে খুলনার ৮ জেলায় এসআরবি’র তিন স্তরে নিরাপত্তা

কিডনি ড্যামেজ হওয়ার যে ৬ লক্ষণ অবহেলা করবেন না

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫
  • ২৮৪ বার পঠিত
sick-12211

লাইফস্টাইল ডেস্ক ::


কিডনির ক্ষতি প্রাথমিক পর্যায়ে খুব একটা টের পাওয়া যায় না। যে কারণে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ (CKD) হওয়ার আগে এর প্রাথমিক লক্ষণ বুঝতে পারা গুরুত্বপূর্ণ। যেসব লক্ষণ চোখ এড়িয়ে গেলে কিডনি ফেইলিওরের মতো ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে। তবে আগেভাগে সতর্কতা সংকেতগুলো চিনতে পারলে সমস্যার প্রতিকার করা সহজ হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. ফেনা বা বুদবুদযুক্ত প্রস্রাব

কিডনির ক্ষতির প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রস্রাবে ক্রমাগত ফেনা বা বুদবুদ। এই পরিস্থিতির নাম প্রোটিনুরিয়া। এর অর্থ হলো কিডনির ফিল্টারিং ইউনিট গ্লোমেরুলি প্রোটিনকে, যেমন অ্যালবুমিনকে প্রস্রাবে প্রবেশ করতে দিচ্ছে। স্বাভাবিক কিডনি সাধারণত প্রচুর প্রোটিন প্রবেশ করতে দেয় না, তাই খালি চোখে দৃশ্যমান ফেনা একটি সতর্কতা সূচক যা চিকিৎসকের দ্বারা পরীক্ষা করা উচিত।

২. গোড়ালি, পা বা চোখের চারপাশে ফোলাভাব

কিডনি সোডিয়াম এবং তরল ভালোভাবে ফিল্টার করতে সক্ষম না হলে অতিরিক্ত পানি এবং লবণ শরীরে জমা হয়। এটি সাধারণত দৃশ্যমান ফোলাভাব সৃষ্টি করে, বিশেষ করে গোড়ালি, পা এবং চোখের চারপাশের অংশে। বিশেষ করে সকালের সময় এসব স্থানে ফোলাভাব সাধারণত অকার্যকর কিডনি পরিস্রাবণের কারণে পানি ধরে রাখার ফলে হয়।

৩. প্রস্রাব বৃদ্ধি, বিশেষ করে রাতে

কিডনির কার্যকারিতা হ্রাসের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রস্রাবের ধরণ পরিবর্তন। এতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ঘন ঘন প্রস্রাব করার তাগিদ অনুভব করেন, বিশেষ করে রাতে। একে নকটুরিয়া বলা হয়। কিডনি ভালোভাবে প্রস্রাব ঘনীভূত করতে না পারলে এমনটা ঘটে। তাই প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং ঘন ঘন প্রস্রাব করার প্রয়োজন দেখা দেয়।

৪. ক্লান্তি এবং দুর্বলতা

সুস্থ কিডনি এরিথ্রোপয়েটিন তৈরি করে। এটি একটি হরমোন যা লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সাহায্য করে। ক্ষতিগ্রস্ত কিডনি এই হরমোন কম নিঃসরণ করে, যার ফলে রক্তস্বল্পতা হতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ কিডনি কার্যকারিতার কারণে রক্তে টক্সিন জমা হওয়ার ফলে এই লক্ষণগুলো দেখা দেয়।

৫. অনবরত চুলকানি

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের ফলে রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমা হতে পারে। যার ফলে তীব্র চুলকানি হয়, যাকে প্রুরিটাসও বলা হয়। এই চুলকানি সাধারণত স্থায়ী হয়, টপিকাল লোশন বা ক্রিম প্রয়োগ করলেও উপশম হয় না। এটি রাতে আরও বেশি হতে পারে।

৬. ক্ষুধামন্দা

হঠাৎ ক্ষুধা কমে যাওয়াও হতে পারে কিডনির সমস্যার লক্ষণ। রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমা হলে তা হজম ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে। যার ফলে বমি বমি ভাব, মুখে দুর্গন্ধ, এমনকি বমিও হতে পারে, যা খাবারের প্রতি আগ্রহ হ্রাস করে।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর