- শেখ নাদীর শাহ্ ::
দক্ষিণ খুলনার ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক মোকাম পাইকগাছার কপিলমুনিতে ঔষধ ব্যাবসায়ীদের প্রতি ১০ % লেসের দাবি ও এমআরপি’র ১০০ % বিক্রির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংকের আয়োজনে কপিলমুনি বাজারের প্রধান সড়কে অনুষ্টিত মানবন্ধন কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত মানুষ অংশ গ্রহন করেন।
এসময় বক্তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ওষুধ ব্যবসায়ীদের ১০% ছাড়ে বিক্রির কথা উল্লেখ করে অবিলম্বে স্থানীয় প্রতি পুনরায় ১০% ছাড়ে ওষুধ বিক্রির প্রতি আহ্বান জানান। তারা বলেন, ইতোপূর্বে কপিলমুনিতেও ওষুধ বিক্রিতে জনসাধারণের কথা চিন্তা করে এ পদ্ধতি চালু ছিল। অথচ সম্প্রতি স্থানীয় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সমিতি আকষ্মিক এমআরপি অনুসরণ করে ওষুধ বিক্রি চালু করেছে। ফলে সাধারণ মানুষের ওষুধ ক্রয়ে ভোগান্তি বেড়েছে। বর্তমানে বৈশ্বিক নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর উর্দ্ধগতির সাথে পাল্লা দিয়ে ওষুধ ব্যবসায়ীরাও এমআরপি’র ১০০ % চালু করায় সাধারণের পক্ষে স্বোচ্চার হয়, স্থানীয় সেবামূলক মানবিক সংগঠন কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংক।
যার ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে সব শ্রেণি-পেশার সাধারন মানুষকে সাথে নিয়ে এ গুরত্বপূর্ণ এ মানবিক আবেদনের আয়োজন করে। এসময় বক্তব্য রাখেন, নিরাপদ সড়ক চাই উপজেলা শাখার সভাপতি ও কপিলমুনি প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এইচ,এম শফিউল ইসলাম, মানবাধিকার সাংবাদিক শেখ সেকেন্দার আলী।
কপিলমুনি ব্লাাড ব্যাংকের সভাপতি শেখ আব্দুর রাজ্জাক রাজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আশানুর ইসলাম রনির সঞ্চালনায় আরোও বক্তব্য রাখেন, কপিলমুনি ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মজিদ গাজী, বিশিষ্ট ব্যাসায়ী সাত্তার গাজী, রুহুল আমিন ফকির, যুবদল নেতা রায়হান গাজী, আতাউর রহমান কপিলমুনি ব্লাড ব্যাংকের ক্রিড়া সম্পাদক জলিল বিশ্বাস, সাউন্ড সিস্টেম ব্যাবসায়ী ইমরান গাজীসহ অন্যান্যরা।
বক্তারা আরোও বলেন, দেশের সব শ্রেণী-পেশার মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ওষুধ ক্রয়ের সাথে সম্পৃক্ত। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ওষুধ বিক্রিতে এমআরপি’র ১০% লেস’র সিস্টেম চালু রয়েছে। কিছুদিন আগে কপিলমুনিতেও তা চালু ছিল। আন্তর্জাতিক বাজারের ধুয়ো তুলে সারাদেশের সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা নিত্য প্রয়োজনীয় নানা পণ্য-সামগ্রীর দাম বাড়িয়েছে। দেশে উৎপাদিত সব্জির সরবরাহে তেলের ব্যবহারের কথা বলে একেক স্থানে একেক রকম দাম হাকা হচ্ছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী ক্রয়ে সাধারণ মানুষের এখন নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম। যা ধারাবাহিকতায় ওষুধ ব্যবসায়ীরাও একই পন্থা অনুসরণ করে সাধারণের নি:শ্বাস ভারীর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সুষ্ঠু সরকার পরিচালনা তথা মানবিক প্রয়োজনে স্থানীয় ঔষধ ব্যাবসায়ীরা সাড়া না দিলে আগামীতে সাধারণ মানুষের পক্ষে বড় ধরনের আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন বক্তারা।