শেখ দীন মাহমুদ::
আসন্ন খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে পাইকগাছা ৩ নং ওয়ার্ড থেকে সদস্য পদে হাতি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন কপিলমুনি প্রেসক্লাবের সাধোরণ সম্পাদক জি,এম আব্দুর রাজ্জাক রাজু। নির্বাচনকে সামনে রেখে রীতিমত ব্যাস্ত সময় পার করছেন সার্বক্ষণিক সাধারণ মানষের সেবায় নিবেদিত এ প্রাণ।
শৈশব থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী প্রেমী আব্দুর রাজ্জাক রাজু কৈশোরেই সরাসরি যুক্ত হন রাজনীতির সাথে। ৯০’র সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনেও ছোট্ট রাজ্জাককে রাজপথে দাপিয়ে বেড়াতে দেখা যায়। এরপর ৯৬’র নির্বাচনে পাইকগাছার আওয়ামী রাজনীতিতে সর্বত্র সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত পায় তার। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আসীন থেকে উপজেলা যুবলীগকে সাংগঠনিক দিক থেকে নিয়ে যান অনন্য উচ্চতায়। এ জন্য তাকে অবশ্য কম কাঠ-খোঁয়াড় পুড়াতে হয়নি। বহুবার হামলা-মামলার শিকার হতে হয়েছে তাকে। স্ব-গোত্রেও রয়েছে বিরোধিতা।
তৃণমূলে আওয়ামী রাজনীতির নিবেদিত এ সৈনিক বর্তমানে উপজেলা যুবলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য। কপিলমুনি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, কপিলমুনি বণিক সমিতির সদস্য সচীব, নিরাপদ সড়ক চাই নিসচার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, ঐতিহ্যবাহী কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির স্কুল এন্ড কলেজের বিদ্যুৎসাহী সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক,শিক্ষা,সাংষ্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে সমাজ ও উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শে লালিত আওয়ামীলীগের দু:সময়ের কান্ডারী বিশেষ করে ওয়ান ইলেভেন’র সময় তাকে সবচেয়ে বেশি হামলা, মামলা, অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তবে এরপরও একদিনের জন্য হলেও পিছপা হননি। অসীম সাহস, ধৈর্য্য, আর নিষ্ঠাকে ভর করে প্রতিবার এগিয়ে চলেছেন নতুন উদ্যমে।
সর্বশেষ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কপিলমুনি ইউনিয়ন থেকে মনোনয়ন চেয়ে বছর জুড়ে আলোচনায় থেকেও সর্বশেষ মনোনয়ন বঞ্চিত হন। নিজে যুবলীগের রাজনীতির সাথে সংযুক্ত থেকেও ছাত্রলীগকে তৃণমূলে সংগঠিত করতে তার ভুমিকা অনস্বিকার্য। বলিষ্ঠ নের্তৃত্ব, বিচক্ষণতা, দুরদর্শীতা, সততা, নিষ্ঠা তাকে তৃণমূলে আজকের পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। তবে নিজে সংবাদকর্মী হয়েও বরাবরই তিনি রয়েছেন প্রচার বিমুখ।
ক্ষমতাসীন দলের কর্মী হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য’র সাথে নিবিঢ় সম্পর্ক বিদ্যমান থাকায় এলাকার উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রাধান্য আদায় করে বহুমুখী উন্নয়নের সারথি বনে গেছেন। স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, রাস্তা-ঘাট, কার্লভাট থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা তহবিলের টাকা পাইয়ে দিতেও তিনি সর্বোচ্চ সজাগ থাকেন। আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হলে পাইকগাছার উন্নয়নে নিজেকে আরো গতিশীল করবেন, এমন প্রত্যাশা উপজেলার সব শ্রেণি-পেশার মানুষের।
আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য জেলা পরিষদের নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি এখন ব্যাস্ত সময় পার করছেন। প্রতিদিন প্রত্যুষে ঘুম থেকে উঠে রুটিন করে ছুটে চলেছেন উপজেলার এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত পর্যন্ত। সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন ভোটারদের সাথে। মত বিনিময় করছেন প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে শুরু করে ওয়ার্ড পর্যায়ে পর্যন্ত। সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ত্বরান্বিত রাখতে প্রার্থী হিসেবে ভোটারদের কথা দিচ্ছেন আবার কথা নিচ্ছেন (পরামর্শ)। এসময় তিনি ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনার পাশাপাশি সবার কাছে দোয় ও আশীর্বাদ প্রার্থনা করছেন।
এবার নির্বাচনে পাইকগাছা উপজেলা ৩ নং ওয়ার্ডে ১০ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা মিলে মোট ভোটারের সংখ্যা ১৪৬ টি। ওয়ার্ড থেকে তিনি ছাড়াও ৪ জনসহ মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখন পর্যন্ত সদস্য পদে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ওয়ার্ডটি থেকে দ্বি-মুখী নির্বাচন হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।
যদিও জয়ের ব্যাপারে আব্দুর রাজ্জাক রাজু শতভাগ আশাবাদী বলে এক প্রতিক্রিয়ায় দাবি করেন তিনি।
তুমুল স্বপ্নবাজ, তৃণমূলের আওয়ামী রাজনীতিতে পরিশ্রমি নের্তৃত্ব, খবরের মানুষ ও আপামর সাধারণ মানুষের পরীক্ষিত সেবক জি,এম আব্দুর রাজ্জাক রাজু বিজয়ীর বেশে ফিরে আপন ঠিকানায়; এমন প্রত্যাশা নিজ দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ এলাকাবাসীর।