সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি::
সৈয়দপুরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনায় বৈধ কোন কাগজপত্র না থাকায় ল্যাবএইড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার সীলগালা করেছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের আভিযানিক দল।
এসময় ওই প্রতিষ্ঠান মালিকের ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ) দুপুরে সৈয়দপুর শহরের শেরে বাংলা সড়কের চৌধুরী টাওয়ারে প্রতিষ্ঠিত ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। নীলফামারী জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসিবুর রহমানের নির্দেশে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নীলফামারী কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক শামসুল আলমের নেতৃত্বে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক শামসুল আলম জানান, কোন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালনায় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর অনুমোদন নিতে হবে। এক্ষেত্রে ল্যাবএইড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় কোন কাগজপত্র না থাকলেও তারা অবৈধ উপায়ে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করে আসছিল এরসাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা। এমনই অভিযোগের ভিত্তিতে নীলফামারী জেলা সিভিল সার্জনের নির্দেশে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় তারা ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনায় কোন বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে না পারায় প্রতিষ্ঠান মালিক মো. মুকুল হোসেনের ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় বৈধ কাগজপত্র বা থাকায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি সীলগালা করা হয়। এসময় বৈধ কাগজপত্র তৈরি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি চালু করতে পারবে বলে জানানো হয়। এদিকে একইদিন শহরের চাঁদনগর আলম প্রেস লেন এলাকায় আস্থা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও বাঙালিপুর এলাকার বঙ্গবন্ধু সড়কের ল্যাবজোন জেনারেল হাসপাতালেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্তু ওইসব প্রতিষ্ঠানের বৈধ কাগজপত্র ঠিক থাকলেও কিছু ত্রুটির কারণে প্রতিষ্ঠান দুটিকে প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হয়।
বলা হয় শিগগিরই যাতে তাদের ত্রুটিগুলো সমাধান করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলা সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডা.মোখলেছুর রহমান, উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর আলতাফ হোসেন সরকারসহ পুলিশ সদস্যরা।
উল্লেখ্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনুমোদনহীন হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম পরিচালনার বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। এরই অংশ হিসেবে সৈয়দপুরেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। এবং এটি অব্যাহত থাকবে বলে অভিযান পরিচালনা করা দলের সুত্র জানায়।