1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানালেন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা ইরানি জাহাজে আছে ডায়ালাইসিস আর চিকিৎসার সরঞ্জাম গাজায় ইসরায়েলের হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত তরমুজ বিক্রি করে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় পাইকগাছার ২ জন নিহত পাইকগাছায় এতিমখানার শিশুদের মাঝে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার বিতরণ সৈয়দপুরে প্রসূতি মায়ের মাঝে পুষ্টিকর খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সৈয়দপুরে বাউস্ট পরিদর্শন করলেন রংপুর সেনানিবাসের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার তালায় অ্যাম্বুলেন্স ইস্যু: আরএমও ডা. খালিদকে ঘিরে অপ-প্রচার স্বাস্থ্য খাতে অনিয়মের অভিযোগে মুন্সীগঞ্জে ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত ডুমুরিয়ায় ধানের দামের চেয়ে শ্রমিকের মজুরির মূল্যে বেশি

তোমার প্রতীক্ষায় বাংলাদেশ অতঃপর কিছু চাওয়া

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২২৫ বার পঠিত
tareque_rahman_15109
  • রাবিদ মাহমুদ চঞ্চল

‎প্রায় দেড় যুগ স্বৈরাচারের হাতে বন্দী থাকার পর গত ২৪ সালের ৫ আগষ্ট (৩৬ জুলাই) বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃ মুক্তি লাভ করে।

গণতন্ত্র হরনকারীদের রাহু গ্রাস থেকে গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য বলিদান করতে হয়েছে অসংখ্য ছাত্রজনতাকে। গণতন্ত্রের জন্য মুক্তিকামীদের তাজা রক্তের উপর ভর করে ফিরে আসে বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র নামের সেই সোনার হরিন।

তবে এই সোনার হরিনের অবারিত চর্চার মূল ক্ষেত্র হলো নির্বাচন যা আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাকরা যায়। তবে এই নির্চানের মধ্যে দিয়ে দেশের মাটিতে ‎গণতান্ত্রিক অধিকার পূর্ণ প্রতিষ্ঠা পাবে কি না? আধিপত্যর বাদ, সাম্রাজ্যবাদ,ঔপনিবেশবাদ থেকে আমাদের মুক্তি মিলবে কিন না এটা নির্ভর করছে যেমন আগামী মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উপর তেমনি একজন ব্যক্তির উপর। এই ব্যক্তিই হলেন তারেক রহমান। বর্তমান বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক দুরবস্থা বা ক্রান্তিকাল চলছে তা থেকে উত্তরণের শেষ ভরসা স্থল হিসেবে আপামর বাংলাদেশ মানুষের মুখে একটাই নাম উচ্চারিত হচ্ছে তিনিই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপসহীন গণতান্ত্রিক নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া পুত্র তারেক রহমান।

‎দীর্ঘ দেড় যুগ আগে বস্তাবন্দী হওয়া গণতন্ত্রের মুক্তি এবং পুনঃ প্রতিষ্ঠার দায়-দায়িত্ব এককভাবে তাকে গ্রহণ করতে হবে। নইলে অতল গহবরে হারিয়ে যাওয়া থেকে বাংলাদেশকে এই মুহূর্তে জমিনে থাকা অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আদৌও সম্ভব হবে বলে আশা করার মত কোন কারন বা যুক্তি আছে বলে মনে করার কোন সুযোগ নেই।

‎এক্ষনে আপনার মনে উদিত হতে পারে কেন তিনি দায়িত্ব নেবেন বা আদৌ পারবেন কিনা? ‎তারেক রহমান কেন দায়িত্ব নিবেন এ বিষয়ে জানতে হলে একটু বিশ্লেষণ করা দরকার। যে কারনে উনাকে দায়িত্ব নিতে হবে তার অন্যতম প্রধান কারন হলো তারেক রহমান বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। এদেশের জন্য তারেক রহমানের পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যে স্বপ্ন ছিল তা শুরু করলেও পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করতে পারেননি তার আগে তিনি শহীদ হন। অপরদিকে দেশ ও দেশের মাটি-মানুষের জন্য যে আবেগ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়া বক্ষে ধারণা করে আজও মহিরুহের ন্যায় জেগে আছেন তার শতভাগ বাস্তবায়ন করা সন্তান হিসেবে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সে কারনে তারেক রহমানকে দায়িত্ব নিতেই হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর যে সময় টুকু দেশ পরিচালনা করার সুযোগ পেয়েছিলেন ততটুকু সময় জুড়ে আধিপত্যর বাদ, সাম্রাজ্যবাদ,ঔপনিবেশবাদ থেকে নিজের দেশকে রক্ষার জন্য নিবেদিত ছিলেন। এমন কি আধিপত্যর বাদ, সাম্রাজ্যবাদ,ঔপনিবেশবাদ থেকে রক্ষা করতে গিয়েই উনাকে নিজের জীবন হারাতে হয়েছিল বলে তৎকালীন সময়ে অধিকাংশ ধারনা করে থাকেন। সে কারনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শুরু করা লড়াইয়ের মাঠের শেষ হাসিটা তারেক রহমানকে হাসতেই হবে।

‎তাছাড়া বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ থেকে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের রক্ষা কবচ তাকে হতেই হবে।

‎দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর নির্বাসনে থাকার পর তারেক রহমান ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশে ফিরে আসছেন। বিভিন্ন মিডিয়ার সূত্র বলছেন ‎তিনি লন্ডন সময় ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় একটি নিয়মিত ফ্লাইটে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন এবং ২৫ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকা পৌঁছাবেন। অনেকের কাছে তারেক রহমানের কাছে এটা শুধু মাত্র দেশে ফেরা হলেও রাজনৈতিক সচেতন এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই করা মানুষের কাছে তারেক আমাদের এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন হলো একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

২০ নভেম্বর ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশের লৌহ মানবী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গর্ভে জন্ম নেওয়া এবং ১৯৮৮ সালে সাধারণ সদস্য হিসেবে বিএনপির রাজনীতি শুরু করে বর্তমানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তিনি। আগামী বাংলাদেশর প্রধানমন্ত্রী যখন তিনি, তখন বাংলাদেশের দেখভাল তিনি করতে একান্তই বাধ্য বলতে বাঁধা থাকার কোন কারন নেই।

‎ফকরুদ্দিন-মইন ইউ আহম্মেদ সরকারের সময় তারেক রহমানকে শুধু রাজনীতি নয় চিরকালের জন্য পৃথিবী থেকে বিদায় করে দেওয়ার যে চক্রান্তের জাল দেশী-বিদেশী ও কিছু মিডিয়া মিলে করেছিল সেই চক্রান্তের বেড়া জাল থেকে মহান আল্লাহর রহমতে ২০০৮ সালে চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার পর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। সব মিলিয়ে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাড়িয়ে নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশে মানুষের দোয়ার বরকতে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন দুর্নীতির মামলা ও সাজা বাতিল করে আদালত তাকে সকল অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছেন। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের কৃত্রিম অঙ্গ সরবরাহসহ বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। সেকারণেই অনেকেই তাকে মাস্টার হিসেবে চিহ্নিত করে থাকেন। দীর্ঘ দিনের নির্বাসিত জীবনের অভিজ্ঞতা,পরিবারের শিক্ষা ও জাতীর প্রতি দায়বদ্ধতার থেকে দেশে ও জাতির কল্যানে আধিপত্যবাদ, সাম্রাজ্যবাদ,ঔপনিবেশবাদ থেকে বাংলাদেশের রক্ষা কবচ হিসেবে তারেক রহমানকে অবশ্যই দায়িত্ব নিতেই হবে।

‎ইতোমধ্যে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে বিএনপির ব্যাপক প্রস্তুতি, নেতাকর্মী ও দেশবাসীর উৎসাহ দেখেই বুঝা যাচ্ছে তোমার জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী। এই জনপ্রিয়তা যেন ভাটা না পড়ে,কেউ যেন ভাটা না ফেলতে পারে তার দিকে আপনার সুচারু দৃষ্টি রাখা একান্ত জরুরি। কোন সিন্ডিকেট যেন আপনাকে গ্রাস না করতে পারে দয়াকরে একটু মনে রাখবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সব থেকে বড় শত্রুও কখনো উনার সম্পর্কে কোন ধরনের দোষত্রুটি উপস্থাপন করতে পারেননি। স্বামী-সন্তান হারিয়ে বিনা দোষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একাকিত্ব বরন করে জেল খেটেছেন তবুও দেশের মানুষকে ফেলে তিনি চলে যাননি। আপনি এই মহান দুজনের সন্তান সুতরাং আপনাকে পারতেই হবে। ইনশাআল্লাহ।

unnamed-15132

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট
Email : rabidchanchall@yahoo.com

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর