- পাইকগাছা প্রতিনিধি ::
খুলনার পাইকগাছায় সাময়িক বরখাস্তকৃত ৫নং সোলাদানা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান গাজী ও লতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস এর আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ফিরে পেতে করা আবেদনের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
২ মার্চ বৃহস্পতিবার সকালে সোলাদানা ইউনিয়ন পরিষদে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস।
তদন্তকালে উপস্থিত সকল ইউপি সদস্যরা লিখিতভাবে তাকে পুনর্বহাল না করা দাবী জানান। একই সাথে তার বিরুদ্ধে নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, অনিয়ম ও দুর্নীতির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেন। মতামত ব্যক্ত করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পীযূষ কান্তি মন্ডল, ইউপি সদস্য সিদ্দিক শিকারী, আজিজুর রহমান লাভলু, বাবু ও আবুল কালাম প্রমুখ। এদিকে, স্থায়ীভাবে বরখাস্তের দাবিতে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ ঝাড়ু মিছিল করেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হওয়ায় ছাত্র জনতার ভয়ে পরিষদে আসতে না পারায় পাইকগাছার ৫নং সোলাদানা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান গাজী’ স্বপদে পুনঃবহালের জন্য খুলনা জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনও ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর নির্দেশনায় ২ এপ্রিল-২৬ সকালে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস সরেজমিনে পরিষদ এর সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে তদন্ত সম্পন্ন করেন।

এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের বাহিরে শত-শত নারী পুরুষ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। অনুরূপভাবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হওয়ায় ছাত্র জনতার ভয়ে পরিষদে আসতে না পারায় ৩নং লতা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস খুলনা জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করলে বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদে উপজেলা এসএফডিএফ কর্মকর্তা জিএম জাকারিয়া তদন্ত সম্পন্ন করেন। সকল ইউপি সদস্যরা কাজলের বিপক্ষে অবস্থান করে।
এদিকে, খবর পেয়ে লতা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে প্রধান সড়কে স্থানীয় এলাকাবাসী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজলের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। লতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা সরদারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তারা সাময়িক বরখাস্তকৃত ইউপি চেয়ারম্যানের সমালোচনা করে তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করার দাবি করেন।