মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি::
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজারে রাস্তার পাশে আখ বিক্রি জমে উঠেছে। বর্ষাকালে আখের ব্যাপক চাহিদা দেখা যায়। অন্যান্য ফলের তুলনায় আখ একটু নির্ভেজাল ফরমালিন মুক্ত ফল। যা বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন হাট বাজারে দেখা যায়। দেশের সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদনের জেলা নাটোরের পাশাপাশি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর, সিরাজদিখান ও টঙ্গীবাড়ীতে আখের চাষাবাদ হচ্ছে।
গত কাল সোমবার উপজেলার বালিগাঁও বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে রাস্তার পাশে অস্থায়ী দোকান পেতে বসেছে আখ বিক্রেতারা। বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা দিনের শুরুতে আখ এনে সারি সারি সাজিয়ে দোকান পেতে বসেন, দিনের শেষাংশে আবার চলে যান।
আখ বিক্রেতা শামসুল আলম বলেন, আমি প্রতিদিন সকালে শ্রীনগর থেকে আখ এনে বিক্রি করি। সাইজ অনুযায়ী আখ বিক্রি করি প্রতি পিছ ১৫-২৫টাকা। এতে প্রতি আখে ৫ টাকা লাভ হয়। সারাদিনে ৭০থেকে ৮০টা আখ বিক্রি করতে পারি।
আরেক আখ বিক্রেতা আকবর হোসেন বলেন, গত ১২বছর যাবত বিভিন্ন বাজারে আখ বিক্রি করে থাকি। আগে আখের দাম কম ছিল। কম টাকা হলেই আখ কিনে বিক্রি করতে পারতাম। পুঁজি লাগতো কম লাভও হতো বেশি। এখন কষ্ট করে ক্ষেতের থেকে আখ তুলে ভেনে করে বাজারে এসে সারাদিন বিক্রি করার পরে ৪শ থেকে ৫শ টাকা ইনকাম করতে কষ্ট হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর বলেন, আখ তুলনামূলক মিষ্টি হয়নি। তবে এই ফল আমার কাছে খুবই পছন্দের। কারণ এটা সম্পূর্ণ ভেজাল মুক্ত। এটা খাওয়ার ফলে প্রচণ্ড গরমে পানির তৃষ্ণা মেটাতে সাহায্য করে।