- উত্তম চক্রবর্তী,যশোর জেলা প্রতিনিধি।।
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও আগামীদিনের চালুয়াহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ মঈনুল ইসলাম মঈন এখন সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রশংসায় ভাসছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং অসচ্ছল-মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে তাঁর গৃহীত নানামুখী পদক্ষেপ স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
সম্প্রতি কলেজের দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনে উল্লেখযোগ্য হারে ফি মওকুফ ও বিশেষ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।
শুধু তাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিলম্ব ফি মওকুফ, টিউশন ফি ছাড় এমনকি ব্যক্তিগত উদ্যোগে রেজিস্ট্রেশন ফি প্রদান করে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন তিনি। এর ফলে স্বল্প খরচে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে অত্র অঞ্চলের সাধারণ পরিবারের সন্তানদের জন্য। মঈনুল ইসলাম মঈন মনিরামপুরের গণমানুষের প্রিয় মুখ, বিএনপির প্রয়াত বর্ষীয়ান নেতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ মুছার সুযোগ্য পুত্র।
স্থানীয়রা বলছেন, যোগ্য পিতার যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে তিনি বাবার আদর্শকে ধারণ করে শিক্ষা ও সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।
কলেজের অবকাঠামো ও গুণগত উন্নয়ন শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি কলেজের প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নেও সমান গতিতে কাজ করছেন বর্তমান সভাপতি। শিক্ষক ও কর্মচারী সংকট নিরসন, নতুন নতুন বিভাগ চালু এবং কলেজের শিক্ষার পরিবেশ আধুনিকায়নে তিনি নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কলেজের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীর স্বার্থ এই দুইয়ের মধ্যে একটি নিখুঁত চেক এন্ড ব্যালেন্স বজায় রেখে তিনি প্রতিষ্ঠানের শ্রী বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন। সভাপতির এই শিক্ষার্থীবান্ধব পদক্ষেপে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করছেন কলেজের গভর্নিং বডির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। অবসরপ্রাপ্ত টিএন্ডটি কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ, প্রফেসর কফিলউদ্দীন, মতলেব গাজী, প্রফেসর আবুল বাসার, মাস্টার হুমায়ুন কবিরসহ সকল সদস্যের আন্তরিকতা এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুজিবর রহমানের সঠিক সমন্বয় এই উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করেছে। কলেজ পরিচালনা পর্ষদ ও কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের প্রতি সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেও বিনিময়ে তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করছেন মেধার স্বাক্ষর ও শ্রেষ্ঠ ফলাফল। একইসাথে সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অভিভাবকদের যথাযথ ভূমিকা ও তদারকি বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন সভাপতি মঈনুল ইসলাম মঈন।
রাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের এই ইতিবাচক পরিবর্তন ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রশংসা এখন পুরো মনিরামপুর উপজেলার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।