- সাতক্ষীরা প্রতিনিধি::
সাতক্ষীরা সদরের বাঁধনডাংগা গ্রামের সিরাজুলের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল হলেও কোঁটায় চাকরী পাওয়া তার দুই ছেলে এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। এখনো তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকাবাসীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসীরা জানান,সাতক্ষীরা সদরের বাঁধনডাংগা গ্রামের মোঃ সিরাজুল ইসলামের নামে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরি করে দুই ছেলেকে মুক্তিযোদ্ধা কোঁটায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরীতে যোগদান করানো হয়।
বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলসহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে অভিযোগ করেন। কর্তৃপক্ষ অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে গত ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর ৪৮,০০,০০০০,০০০,০০৪,৩৭,০০০৮,২৫,১৫৭৮ নং স্বারকে প্রকাশিত গেজেটে ৬ নং ক্রমিকে সিরাজুলের মুক্তিযোদ্ধা সনদটি বাতিল করা হয়।
পরবর্তীতে তার দুই ছেলে মোঃ হাসানুজ্জামান ও মোঃ মনিরুজ্জামানের কোঁটায় চাকরী বাতিল করা এবং এতোদিন যত টাকা বেতন ভাতা নিয়েছে তাহা সরকারী কোষাগারে ফেরতের দাবীতে এলাকাবাসী আবারও বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়টি দতন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তের নামে তালবাহানা করছেন। তাদের নিকট থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়ে সময় ক্ষেপণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বর্তমানে মোঃ হাসানুজ্জামান সহকারী শিক্ষক হিসাবে জাহানাবাজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত এবং মোঃ মনিরুজ্জামান সহকারী শিক্ষক হিসাবে দক্ষিণ ফিংড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত থেকে এখনো তারা যথারীতি বেতন-ভাতা নিচ্ছেন।
এদিকে হাসানুজ্জামান ও মনিরুজ্জামানের দাবী তাদের চাকুরি পোষ্য কোঁটায় কিন্তুু অনলাইনে প্রদত্ত তথ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোঁটায় তাদের চাকুরী করার তথ্য পাওয়া গেছে। মনিরুজ্জামানের নিয়োগের স্বারক নং- ৭৯ তারিখ- ১৪/০১/২০১৬ আর হাসানুজ্জামানের নিয়োগ মুক্তিযোদ্ধা কোঁটায় ২০১০ সালে।
এলাকাবাসীদের দাবী বাবার মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল হলেও কোঁটায় চাকুরী পাওয়া তার ছেলেরা এখনো কিভাবে চাকুরীতে বহাল থাকে? বিষয়টি উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নিকট দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থার দাবী জানিয়েছেন তারা।
বিষয়টি নিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামানের নিকট জানতে যোগাযোগ করা হলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।