শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা::
সিন্টিকেট তৈরি করে সার সংকট সৃষ্টি, মূল্য বৃদ্ধি ও মজুদকারীদের বিরুদ্ধ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সোমবার শার্শা উপজেলা হলরুমে সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিদের সাথে মত বিনিময়কালে জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান প্রধান অতিতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মত বিনিময়ের পূর্বে তিনি গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাই সাইকেল, পোশাক ও প্রতিবন্ধিদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করেন।
তিনি বলেন, চাষিদের সার নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের সামিল। ডিলার এবং খুচরা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় যশোর আঞ্চলিক কৃষি কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম বলেন, সরকারী নির্দ্দেশনা অনুযায়ী কোন জমি পতিত থাকবে না এবং সরকারী অফিস আদালত চত্ত্বরে সময় উপযোগি চাষ করার আহ্বান জানান।
জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকারের দেওয়া সকল প্রণোদনা যাতে সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন হয় এবং যার পাওয়ার কথা সেই চাষী যাতে পায় সে বিষয়ে স্থানীয় কৃষি দপ্তর ও চেয়ারম্যান মেম্বারদের সহযোগিতায় সরকারের সকল সকর্মসূচি বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান। তাছাড়া ১৪০ দিনের জীবন কালের স্বর্ণা ধান চাষ পরিবর্তন করে ব্রি ও বিনা জাতের স্বল্প জীবন কালের ধান চাষ করার কথা বলেন। যাতে ঐ জমিতে রোপা আমন ধান কাটার পররবর্তী সময়ে পতিত না থাকে সেখানে তেল জাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি করার পরামর্শ দেন এ কর্মকর্তা।
পুটখালী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফ্ফার সরদার বলেন তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি কী ভাবে হবে। কারণ যারা স্বল্প জীবন কালীন সরিষা বপন করবে তাদের জমি তে বপন শেষ হয়েছে। অথচ সরকারী সহযোগিতায় তেল ফসলের কোন প্রণেদনা অদ্যবধি আসেনি। যখন আসবে চাষিদের আর প্রযোজন থাকবে না।
এ সময় শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার অফিসার নারান চান্দ্র পালের সঞ্চালনায় অন্যান্যদে মাঝে বক্তব্য রাখেন শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মঞ্জু, সিনিয়ন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হাসান, শার্শা ইউপি চেয়ারম্যান কবির উদ্দীন আহম্মদ তোতা, নিজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম রেজা বিপুল, বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান সহ প্রমূখ।