1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন

পাইকগাছায় কপোতাক্ষের বাঁধে পাইপ স্থাপনে ঝুঁকি বাড়ছে

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬৪৬ বার পঠিত
raruli-13377
  • শেখ নাদীর শাহ্ ::

কপোতাক্ষ নদের পাইকগাছার রাড়ুলীসহ বিভিন্ন স্থানে পাইপ স্থাপন করে চিংড়ি ঘেরে পানি উঠানো হচ্ছে। ফলে এসব এলাকার বাঁধ সরু হয়ে ডেবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কোন কোন এলাকা এসব ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ উপচে নদের লবণ পানি ঢুকে পড়ছে লোকালয়ে। ভারী জোয়ারে এসব বাঁধ ভেঙ্গে যেকোন মূহুর্তে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ইতোমধ্যে উপজেলার রাড়ুলীর কাঠিপাড়াস্থ বেড়িবাঁধ উপচে নদীর পানি বিলের ভিতরে প্রবেশ করছে। জোয়ারে যেকোন সময় বাঁধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে মাছের ঘেরসহ আমনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। এছাড়া পাইপ উচ্ছেদসহ দুর্বল বেড়িবাঁধ দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের কাঠিপাড়া শালিখা ব্রীজ হতে খেসরা ব্রীজ পর্যন্ত কপোতাক্ষ নদের অন্তত ৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ৩ টি স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

শালিখা ব্রীজ হতে আধা কিলোমিটার দূরে জনৈক সুন্দর আলীর ঘের, এর দেড়’শ গজ দুরে আমজাদ আলীর ঘের তারও আধা কিলোমিটার পর কার্তিক সরকারের ঘের এলাকার বাঁধ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানকার বেড়িবাঁধ দুর্বল, সরু এবং ডেবে নীচু হয়ে গেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব এলাকার ঘের মালিকরা বাঁধ ছিদ্র করে পাইপ বসিয়ে পানি উঠানোর ফলে সেখানকার বাঁধ দুর্বল হয়ে গেছে।

ঘের মালিক আব্দুল মজিদ জানান, যেসব স্থানে অবৈধভাবে পাইপ বসিয়ে পানি উঠানো হচ্ছে সেখানকার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জোয়ারের সময় কোন কোন স্থান থেকে বাঁধ উপচে পানি বিলের ভিতরে প্রবেশ করছে। দ্রুত এসব পাইপ দিয়ে পানির সরবরাহ বন্ধ করা না গেলে যেকোনো সময় বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

আশরাফুল ইসলাম বলেন, যে-সব স্থানে বাঁধ নীচু এবং দুর্বল হয়ে গেছে দ্রুত সেখানে সংস্কার এবং মেরামত করতে হবে।

কাঠিপাড়া বিল কমিটির সভাপতি এস কে আসাদুল্লাহ মিঠু বলেন, বাঁধ ছিদ্র করে পাইপ দিয়ে পানি উঠানো সম্পুর্ন নিষেধ রয়েছে। এরপরও কতিপয় ঘের মালিক অধিক লাভের আশায় ওয়াপদার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত করে অবৈধভাবে পাইপ বসিয়ে পানি উঠাচ্ছে। এগুলো দ্রুত বন্ধ করা না গেলে বাঁধ ভেঙ্গে হাজার বিঘার অর্ধশত চিংড়ি ঘের এবং আমন ফসল, পানের বরজ, সবজি ফলমূল ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে এমন আশঙ্কা করছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বিল কমিটির এ নেতা।

অবৈধভাবে পাইপ দিয়ে পানি উঠানো প্রসঙ্গে ঘের ব্যবসায়ী সুন্দর আলী বলেন, ঘেরের প্রয়োজনে পাইপ দিয়ে পানি উঠানো হয়, তবে বাঁধ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকে লক্ষ রাখা হয়।

এব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর