- নিজস্ব প্রতিবেদক ::
উদ্ভোধনের আগেই পাইকগাছার নাবার খালের পুণ:খনন প্রকল্পের খনন কাজ শুরু করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোশেন (বিএডিসি) সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প’র আওতায় সোমবার (১৬ মার্চ) উপজেলার কপিলমুনির নাবা খাল পুণ:খনন কাজের উদ্ভোধন হয়েছে। তবে খনন কাজ শুরু করা হয় আরোও ৪দিন আগে।
বিএডিসি’র সেচ বিভাগের বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন ও ডিএই’র সহযোগীতায় প্রায় ৩১ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয় বরাদ্দে ১.২৬ কি.মি. খাল খনন প্রকল্পের উদ্ভোধন করেন, বিএডিসি প্রধান (মনিটরিং) মো: আব্দুস ছাত্তার গাজী। পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীরর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: একরামুল হোসেন, খুলনা জোনের সহকারী প্রকৌশলী মো: জাহিদ হাসান।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএডিসি’র উপসহকারী প্রকৌশলী মো: সোহরাব হোসেন, মো: রবিউল ইসলাম, স্থানীয় সাংবাদিকসহ সূধী-কৃষক। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন মেহেদী হাসান।
স্থানীয়রা জানান, উদ্ভোধনের অন্তত ৪ দিন আগেই খালটির খনন কাজ শুরু করে যশোরের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সাগর এন্টারপ্রাইজ। যার উপরিভাগের প্রস্থ থাকার কথা ১৮ মিটার এবং তলদেশের প্রস্থ ৭ মিটার। এছাড়া গভীরতা ২.৫ মিটার।

এব্যাপারে প্রকল্পস্থলে উপস্থিত বিএডিসি’র খুলনা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: সোহরাব হোসেন খনন কাজে শুরুতেই অসংগতির কথা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান খালের মাটি কেটে পাশে রেখে বকচর উঁচু করে গভীরতা বেশী দেখানোর চেষ্টা করেছিল। তবে তারা বলার পর ঠিক করে খনন কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, খনন কাজটির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন ও স্লুইচগেটের পাটাতন লাগালে খালের উৎস্যস্থল পার্শ্ববর্তী হাড়িয়া নদীর সাথে সরাসরি পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ত্বরান্নিত হবে। কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, মাছ চাষ ও বিস্তীর্ণ অঞ্চলের পানি সরবরাহে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তবে সবার আগে তারা সুষ্ঠু খননকাজ এগিয়ে নিতে বিএডিসির যথাযথ কতৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।