1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
একটি ফানি ভিডিও ইস্যুতে খুলনার ফিরোজকে ঘিরে সরগরম সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক! আইজিপি পদক পেলেন রাজগঞ্জের জুয়েল রানা, অভিনন্দন ডুমুরিয়ায় গরুর মাংস, পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম বেশ চড়া পাইকগাছায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গরুর খামার: খামারিকে অর্থদন্ড শার্শায় আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত শার্শার পাঁচ ভুলাট দাখিল মাদ্রাসা: ভবন না থাকায় আকাশে মেঘ দেখলেই ছুটির ঘন্টা বাজে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার করবৃদ্ধির প্রতিবাদে নাগরিক-বন্ধন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত পাইকগাছার দেলুটির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এমপি’র খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ফিরোজকে অব্যাহতি, দায়িত্বে জাফর পাইকগাছা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

শার্শার পাঁচ ভুলাট দাখিল মাদ্রাসা: ভবন না থাকায় আকাশে মেঘ দেখলেই ছুটির ঘন্টা বাজে

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ৫৫ বার পঠিত
Sharsha-Photo-16543
  • আব্দুল মান্নান, শার্শা (যশোর) থেকে ::

বেনাপোলের সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শা। এ উপজেলার ৬ নং গোগা ইউনিয়নের পাঁচ ভুলাট গ্রামে অবস্থিত পাঁচ ভুলাট দাখিল মাদ্রাস। মাদ্রাসার মধ্যে খুলনা বিভাগে দাখিল পরীক্ষায় ফলাফলে অদ্বিতীয়। কিন্তু এ মাদ্রাসাটি স্থাপিত হওয়ার পর থেকে আজ অবধি সরকারীভাবে কোন ভবন পায়নি মাদ্রাসাটি। ভাংগা চুরা পুরাতন টিন শেডে ক্লাস নেয়া হয় শিক্ষার্থীদের। আকাশে মেঘ দেখলেই ছুটির ঘন্টা বাজিয়ে দেয় দপ্তরী। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরন বই,খাতা, গায়ের পোশাক ভিজে যাওয়ার ভয়ে ছুটি দেয়া হয় মাদ্রাসা।

তেমনি গ্রীষ্ম মৌসুমে অতি গরমে টিন শেডে ক্লাস করতে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে পাঠ দানে অসুবিধা হওয়ায় মর্নিং ক্লাস করা হয় এখানে।

এ মাদ্রাসাটিতে পড়ানো হয় (প্রথম শ্রেনী) এবতেদায়ী থেকে দাখিল(দশম শ্রেনী) পর্যন্ত। ১৯৮৪ ইং সালে স্থাপিত হয়ে মাদ্রাসাটি এমপিও ভুক্ত হয় তিন যুগ আগে ।

এ মাদ্রাসায় শিক্ষক ও কর্মচারী ২৬ জন থাকার কথা খাকলেও রয়েছে মাত্র ১৯ জন। ইতিমধ্যে এনটিআরসিতে শিক্ষক চেয়েছেন মাদ্রাসার পরিচালনা পরিষদ। এবতেদাযী থেকে দাখিল পর্যন্ত শিক্ষার্থী রয়েছে ৫৯২ জন।

এবতেদায়ীতে রয়েছে ১৬২জন এবং দাখিলে রয়েছে ৩৫০জন শিক্ষার্থী । প্রতি বছর এ মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে শত ভাগ পাস করেন। এ মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাশ করে দেশের বিভিন্ন সরকারী -বেসরকারী কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় সহ দেশের বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী বিশ^ বিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছে। অনেকে আবার শিক্ষা জীবন শেষ করে চাকুরি করছে।পাঁচ ভুলাট গ্রামের প্রবীন শিক্ষা অনুরাগী আব্দুল মজিদ সর্দার জানান মাদ্রাসাটির কোন ভবন না থাকায় এখানে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ব্যবস্থা ব্যহত হচ্ছে।

মাদ্রাসার ৭ম শ্রেনীর ছাত্র মারুফ হাসান জানায়, আমাদের এ মাদ্রাসার ভাংঙ্গা চুরা ঘরে ক্লাস করতে আমাদের অনেক কস্ট হয়। আমাদের অনেক বন্ধু বর্ষা মৌসুমে স্কুলেই আসতে চায় না। এ মাদ্রাসাটির জন্য জরুরী ভিত্তিতে ৪ তলা একটি বিল্ডিং প্রয়োজন।

অস্টম শ্রেনীয ছাত্রী তাসলিমা খাতুন জানায়, গরমের সময় এই মাদ্রাসার পুরাতন টিন শেডে ক্লাস করা যায় না। আমাদের অনেক
বান্ধবী গরমে জ্ঞান হারিয়ে ফেলার মত ঘটনা অনেকবার ঘটেছে।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো: আয়ুব আলী জানান আমার এ মাদ্রাসার কোন ভবন নেই, শিক্ষকদের বসার কোন জায়গা নেই। একটি ছোট রুমে ১৯ জন শিক্ষক কর্মচারীকে বসতে হয় কষ্ট করে। অনেক শিক্ষক বসেন বারান্দায় বিছানা পেতে। আকাশে মেঘ দেখলেই ঝড় বৃষ্টির ভয়ে মাদ্রাসা ছুটি দিতে হয় বাধ্য হয়ে।

এ ব্যাপারে এলাকাবাসী এ প্রতিষ্ঠানটির বহুতল ভবনসহ সার্বিক উন্নয়ন কামনা করছেন সরকারের কাছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর