1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
পাইকগাছায় হাসানকে পিটিয়ে হত্যা: নেপথ্যের কারণ খুঁজছে পুলিশ, আটক ১ ডুমুরিয়ায় মাগুরখালীতে গ্রাম আদালত বিষয়ক বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত: পুরুস্কার বিতরণ ও র‍্যালি সাংবাদিক রহিম রানার চিকিৎসায় সহায়তার আবেদন সকলের কাছে কয়রায় প্রতিবন্ধীত্ব ও জেন্ডার অন্তর্ভুক্তিমূলক জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি হ্রাসে কর্মশালা ইসরায়েলে হামলা বন্ধের ঘোষণা ইরানের ইসরায়েলের রাসায়নিক প্ল্যান্টে বিপ্লবী গার্ডের হামলা ইরানের হামলা, জরুরি বৈঠক ডাকলেন নেতানিয়াহু ঠাকুরগাঁওয়ের শূন্যরেখা থেকে ১১ জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ ডুমুরিয়ায় অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে নতুন সমীকরণ, আলোচনায় ব্যবসায়ী নেতা নাসিম ফারুক খান মিঠু

ডুমুরিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, দেশি গরুর চাহিদা বেশি

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৭৭ বার পঠিত
dumuriya-16626
  • শেখ মাহতাব হোসেন (ডুমুরিয়া) খুলনা::

সোমবার ২৫ মে ২০২৬​ডুমুরিয়া (খুলনা):

পবিত্র ঈদুল আযহা বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। এরই মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলো ক্রেতা ও বিক্রেতাদের পদচারণায় জমে উঠেছে। উপজেলার চুকনগর, শাহপুর, খর্ণিয়াসহ প্রধান প্রধান হাটগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে গবাদিপশু বেচাকেনা।

​স্থানীয় খামারিরা তাদের পরম যত্নে লালন-পালন করা গরু ও ছাগল হাটে নিয়ে আসছেন। এবারের বাজারে বড় আকারের গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট সাইজের দেশি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

​মাঝারি গরু: বাজারে ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ক্রেতারা এই বাজেটের মধ্যেই বেশি ঝুঁকছেন।

​বড় গরু: ২ লক্ষ থেকে শুরু করে তদূর্ধ্ব মূল্যের বড় সাইজের গরুর সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা কিছুটা সীমিত।

​ছাগলের বাজার: খাসির বাজারেও ক্রেতাদের বেশ ভিড় দেখা গেছে। ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মানের খাসি পাওয়া যাচ্ছে।

​হাটে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা চড়া মনে হচ্ছে। তবে হাটে পর্যাপ্ত গবাদিপশু থাকায় তারা ঘুরেফিরে দেখেশুনে কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।

​অন্যদিকে বিক্রেতা ও খামারিরা জানান, গো-খাদ্যের (ভুসি, খৈল, খড়) দাম অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার পশু লালন-পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। তাই কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি না করলে তাদের লোকসান গুনতে হবে। তবে বাজারে কৃত্রিম কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই।

​পশুর হাটগুলোতে জালিয়াতি ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এছাড়া জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিনের পাশাপাশি হাটের হাসিল (খাজনা) আদায়ের বিষয়টিও তদারকি করা হচ্ছে।

​খামারিদের আশা, ঈদের দু-একদিন আগে বাজার আরও চাঙ্গা হবে এবং তারা সঠিক মূল্যেই তাদের পশু বিক্রি করতে পারবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর