1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
তালার তেঁতুলিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আবুল হোসেন আলোচনায় কয়রায় সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা শাহিন আলমের হরিঢালী বালিকা মা: বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য, অভিযুক্ত শিক্ষকের লিখিতভাবে দায় স্বীকার পাইকগাছায় জমি দখল ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন পরিকল্পিত সন্ত্রাস, পাইকগাছায় বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত সৈয়দপুরে এ্যাডভোকেট তুষার কান্তি রায়ের স্মরণে নাগরিক শোক সভা সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি,সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কেশবপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা শেকড়ের সন্ধানের আয়োজনে নজরুল বর্ষ উদযাপিত এম জালাল সভাপতি, আঃ কাদির সেক্রেটারি; পূর্বপাড়া জামে মসজিদের কমিটি গঠন

কপিলমুনিতে এক বিধাব মায়ের জীবিত প্রমাণে ছেলে ও ইউপি সদস্য’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ৩৪২ বার পঠিত
paikgacha-১২৫৬০

নিজস্ব প্রতিবেদক::


পাইকগাছার কপিলমুনিতে এক বিধাব মা নিজেকে জীবিত প্রমাণে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শনিবার (২৮ জুন) বিকেলে উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের মৃত নীল কোমল হালদারের স্ত্রী আশালতা হালদার (৬৫) স্থানীয় সার্ব্বজনীন পূজা মন্ডপ প্রাঙ্গনে ঐ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এর আগে গত ২৮ মে তার একমাত্র ছেলে সত্যজিৎ হালদার তার গর্ভধারীনী মা আশালতাকে মৃত দেখিয়ে একটি ওয়ারেশ কায়েমপত্রের আবেদন করলে স্থানীয় ১নং ওয়ার্ড সদস্য মো: রফিকুল ইসলামের সুপারিশে ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ৩১ মে ঐ ওয়ারেশ কায়েমপত্র প্রদান করেন। যার স্মারক নং- ওয়া/ক/৩৩৬/২০২৫


সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আশালতা অভিযোগ করেন, তার স্বামী নীলকোমল হালদার গত ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি এক স্ত্রী আশালতা, এক ছেলে সত্যজিৎ হালদার ও দুই কণ্যা মমতা বিশ্বাস ও মুক্তি সরকারকে রেখে যান। তিনি বলেন, স্বামীর মৃত্যুঅন্তে একমাত্র সম্বল বসতভিটার এক খন্ড মূল্যবান জমি বিক্রির জন্য তার গর্ভজাত একমাত্র ছেলে তাকে তার স্বামী নীলকোমলের জীবদ্দশায় মৃত দেখিয়ে ওয়ারেশ কায়েমপত্র গ্রহন করে। তাকে স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে চেয়েছিল।


তিনি বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে তার ছেলে ও পুত্রবধূ তাকে কারণে-অকারণে নির্যাতন শুরু করে। বাধ্য হয়ে তিনি বিভিন্ন সময় মেয়ের বাড়িতে অতিবাহিত করেন। সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন যে, তাকে মৃত দেখিয়ে ঐ ওয়ারেশ কায়েমপত্র নিয়ে বসত-ভিটাসহ সমূদয় জমি অন্যত্র বিক্রির জন্য খরিদ্দার ঠিক করা হয়েছে। এরপর তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলেও কোন সদুত্তর না দিয়ে আকষ্মিক গত ২০ জুন স্থানীয় পূজা মন্ডপে উভয় পক্ষকে ডেকে এক বৈঠকে বসেন। তবে এদিন তিনিসহ এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত হলেও ছেলে সত্যজিৎ ও তার স্ত্রী শিপ্রা হালদার একমাত্র বসত ঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যান। এখন পর্যন্ত তারা পলাতক রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি উক্ত ওয়ারেশ কায়েমপত্র বাতিলসহ ঘটনায় জড়িত নিজ ছেলেসহ তার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর