- সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি ::
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন চারতলা ভিত্তির দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) সৈয়দপুর উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) শহরের নিয়ামতপুরস্থ বিদ্যালয় চত্বরে নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নীলফামারী -৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মুনতাকিম ফিতা কেটে এবং ফলক উন্মোচন করে ভবনটির উদ্বোধন করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সৈয়দপুর উপজেলা প্রকৌশলী এম এম আলী রেজা রাজু।
এরআগে সেখানে উদ্বোধনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মরিয়ম নেসা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সৈয়দপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও আল-ফারুক একাডেমির প্রধানশিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম, নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মো. আবদুস সামাদ শাহ, সাবেক প্রধানশিক্ষক রুখসানা প্রধান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অভিভাবক সদস্য মো.রেজাউল ইসলাম , মো. রুবেল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক শিবলী বেগম।
নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আয়েশা সিদ্দিকার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সুধীজন, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য,সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সৈয়দপুর উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চাহিদা ভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নিয়ামতপুর সরকারি বিদ্যালয়ের নতুন চারতলা ভিত্তির দ্বিতল ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে। এর প্রাক্কলিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮২ লাখ ২৯ হাজার ৭০২ টাকা। আর চুক্তি মূল্য ছিল ৭৯ লাখ দুই হাজার ৪৫ টাকা।
গেল ২০২৪ সালের শেষ দিকে মেসার্স রাফি কনস্ট্রাকশন এবং ইঞ্জিনিয়ার ও এস আস সাপ্লাইয়ার (জেভি) ট্রেডিং নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এটির নির্মাণ কাজ করে।
নির্মাণ শেষে গত ১১ মার্চ এটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হন্তান্তর করা হয়। সৈয়দপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এটির কাজ বাস্তবায়ন করেছে।
উল্লেখ্য, নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিগত ১৯৪৮ সালে স্থাপিত হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রাক প্রাথমিক শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।