- নিজস্ব প্রতিবেদক ::
পাইকগাছার কপিলমুনিতে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকায় সাড়ে ৪ শতক জমি বিক্রির পর এখন জমি রেজিস্ট্রিও করে দিচ্ছেনা আবার টাকাও ফেরৎ দিচ্ছেনা। উল্টো দাতা বাপ্পা দে কতৃক গ্রহীতা ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে হয়রানিমূলক মামলায় আসামী করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়াগেছে।
অভিযোগে জানাগেছে, উপজেলার কপিলমুনির পার্শ্ববর্তী নাসিরপুর এলাকার মৃত নিমাই দে’র ছেলে বাপ্পা দে স্থানীয় নগরশ্রীরামপুর মৌজার এসএ ২৪৯ নং খতিযানের ৮৪ দাগ ও ৪৮ খতিয়ানের ৩২ ও ৩৩ দাগ যা বিআরএস ১৬১ খতিয়ানের ১২৩ দাগে ০.৫২ একর জমির মধ্য হতে ০.০৪৫০ একর (সাড়ে ৪ শতক) সম্পত্তি বিক্রি করবে বলে এলাকায় ঘোষণা দিলে পার্শ্ববর্তী নগরশ্রীরামপুর গ্রামের মো: আবু সাঈদ এর ছেলে মো: ফারুক হোসেন গত ১৪ জানুয়ারী ২৫’ নগদ ১০ লক্ষ টাকায় অফিস অব দি নোটারী পাবলিক, পাইকগাছা, খুলনার মাধ্যমে হস্তান্তর (কবলা দলিল) মূলে ক্রয় করেন। যার রেজি: নং ২১, তারিখ ১৫/০১/২৫।
উল্লেখ্য, জমিতে দে: ৩৫৭/২২ নং মামলাসহ কিছু সমস্যা বিদ্যমান থাকার অযুহাতে যার সমাধান পরবর্তী পাইকগাছা সাব:রেজিস্ট্রি অফিস হতে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার শর্তে তাৎক্ষণিক নগদ টাকার প্রয়োজনে ফারুক বাপ্পাকে এদিন এককালীণ নগদ ১০ লক্ষ টাকা পরিশোধ করেন।
সূত্র জানায, অনুরুপভাবে বাপ্পা দে একই তপসিলের ০.০৬ একর জমি প্রতি শতক ৩ লক্ষ টাকা দরে ১৮ লক্ষ টাকায় বিক্রির কথা বলে গত ৫/১১/২৪ তারিখে নাছিরপুর এলাকার মৃত বছির উদ্দীন গাজীর ছেলে আলা উদ্দীন গাজীর নিকট থেকে ১০ লক্ষ টাকা, মামলা পরিচালনার জন্য কপিলমুনি এলাকার মৃত কফিল উদ্দীন মোড়লের ছেলে মো: সাত্তার মোড়লের কাছ থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা খরচ বাবদ গ্রহন ও তার অনুকুলে নিজ নামীয় ব্যাংক একাউন্টের সাড়ে চার লক্ষ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। তবে বাপ্পা সর্বশেষ কাউকে জমি কিংবা টাকা কোনটাই ফেরৎ না দিয়ে সকলের সাথে প্রতারণা করছেন। এমনকি উল্টো তাদের সকলের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক মামলা দিয়ে হয়রাণি করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এব্যাপারে বাপ্পা দে’র সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে না পাওয়ায় প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।
(বিস্তারিত আরোও পরে।)