1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সৈয়দপুরে ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন ডুমুরিয়ায় ব্র্যাক সিড এ্যাড এগ্রো এন্টারপ্রাইজ এর আয়োজনে এক দিনের কৃষক প্রশিক্ষণ কয়রায় সুন্দরবনের বনজ সম্পদ রক্ষা ও বনদস্যু নির্মূলে মতবিনিময় সভা সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের র‍্যাবের অভিযানে ১৬৪৯ বোতল ফেনসিডিল সহ ২ মাদক কারবারি আটক সাতক্ষীরার নলতায় সওজের রাস্তার পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর ফের স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক জিয়াউর রহমানের স্মৃতি জড়িত শার্শার উলাশী জিয়ার খাল পুন: খননের শুভ উদ্ধোধনে আসছেন প্রধান মন্ত্রী সুন্দরবন নিয়ন্ত্রনে বন বিভাগের অভিযান ১ বছরে ২৭৪ মামলায় ৪৯৪ ব্যাক্তি আটক ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানালেন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা ইরানি জাহাজে আছে ডায়ালাইসিস আর চিকিৎসার সরঞ্জাম গাজায় ইসরায়েলের হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত

কয়রায় মুজিব বর্ষের ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন 

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১৫ বার পঠিত
dumuriya-
কয়রা প্রতিনিধি:

খুলনার কয়রায় মুজিব বর্ষের ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মহারাজপুর ইউনিয়নের স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা হাবিবুর রহমান ওরফে (হাবু আমিনের) বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে বুধবার (৮ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় কয়রা প্রেসক্লাবে লিখিত সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের নেছার আলী গাজীর  স্ত্রী মোছাঃ রোমিছা খাতুন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী রোমিছা খাতুন জানান, আমি একজন অসহায ভূমিহীন ব্যক্তি, শ্রীরামপুর মৌজায় ১ নং খতিয়ানের ২১৬ দাগে ডিসিআর মূলে দীর্ঘ ৫০বছন যাবৎ ঘর বেধে বসবাস করে আসছি। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সরকার যখন ভূমিহীনদের ঘর দিচ্ছিল তখন আমাদের এলাকার প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা উসমান গনি বিশ্বাসের ছেলে হাবিবুর রহমান মুজিব বর্ষের ঘর দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা নেয় এবং আমার আগের বসত ঘর ভাঙতে বলে।
পরবর্তীতে ঘর নির্মান কাজ শেষ হলে আমি ৬মাস যাবৎ ঘরে বসত করি, কিন্তু সরকারী ভাবে ঘরের দলিল বের হলে  আমি জানতে পারি আমার পার্শবর্তী বাসিন্দা রোকেয়া খাতুনের নামে উক্ত ঘরের দলিল  হয়। তখন রোকেয়া খাতুন আমাকে ঘর থেকে তাড়িয়ে দেয়।
তিনি আরও বলেন, ঘর রোকেয়ার  নামে বরাদ্দ হওয়ার বিষয়ে জানতে পেরে হাবু আমিন কে বললে তখন তিনি বলেন ভুল করে ঘরটি অন্যর নাম হয়ে গেছে সেটা সংশোধন করে তোমার নামে আনতে হলে আরো ১৪ হাজার টাকা দিতে হবে । তখন নিরুপায় হয়ে ঘর ফেরৎ পাওয়ার আশায়  আরো ১৪ হাজার টাকা দেই। আমাকে তাড়িয়ে  রোকেয়া খাতুন পরিবার নিয়ে ওই ঘরে ওঠে তখন হাবিবুর আমিন কে বললে আমাকে পাত্তা না দিয়ে তাড়িয়ে দেয়।
সর্বশেষ তিনি সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ঠদের সহযােগিতা কামনা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর