1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান ‘একটু বেশি চালাকি’ করেছে : ট্রাম্প হরমুজে ভারতীয় ট্যাংকারে গুলি, ইরানি রাষ্ট্রদূতকে দিল্লির তলব ট্রাম্প একটু বেশিই কথা বলেন : ইরান অকটেনের দাম বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে জমি দখলের চেষ্টা , থানায় অভিযোগ খুলনায় পারিবারিক কলহে মাথায় রাইফেল ঠেকিয়ে কনস্টেবলের আত্মহত্যা! ডুমুরিয়ায় অধিকাংশ সবজির কেজি ৭০ টাকার ওপরে, কমছে মুরগির দাম মশ্বিমনগরের অসহায় নারীদের নিয়ে অ্যাড. এমএ গফুরের ভিন্নধর্মী আয়োজন সৈয়দপুরে সাড়ে ৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার, ৭ জনকে অর্থদন্ড সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে এলজিইডি অফিসে বসেই ঘুষ নিচ্ছেন হিসাব রক্ষক মুস্তাফিজ

খুলনায় পারিবারিক কলহে মাথায় রাইফেল ঠেকিয়ে কনস্টেবলের আত্মহত্যা!

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫২ বার পঠিত
khulna-16354
  • খুলনা ব্যুরো ::

নিজ নামে ইস্যুকৃত রাইফেল দিয়ে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন সম্রাট বিশ্বাস নামে এক কনস্টেবল। তিনি খুলনা রেলওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের দাবি- দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে খুলনার সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (দ্বিতীয় পর্যায়) খুলনা রেলওয়ে জেলা কার্যালয়ে অস্ত্রাগারে দায়িত্বরত অবস্থায় সম্রাট নিজের ইস্যুকৃত রাইফেল দিয়ে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন।

সম্রাট বিশ্বাস গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার চরপদ্মবিলা গ্রামের শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে।

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে খুলনা থেকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে সম্রাটের মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে আশপাশের এলাকা।

পারিবারিক সূত্র জানায়, দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সম্রাট সবার ছোট। বড় বোন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা ও ছোট বোন মাস্টার্সে অধ্যায়নরত। ২০১৮ সালে পুলিশে কনস্টেবল পদে নিয়োগ পান সম্রাট। চাকরিরত অবস্থায় প্রেমে জড়িয়ে পড়েন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশে কর্মরত নারী কনস্টেবল পুঁজা দাশের সঙ্গে। ছয় মাস আগে পরিবারের সম্মতিতে রেজিস্ট্রি করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। সামনের মাসে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার কথা ছিল তাদের। কয়েকদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল সম্রাট ও তার স্ত্রীর মধ্যে। গতরাতে স্ত্রীর সঙ্গে রাগারাগি হয় সম্রাটের। মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ ছিলেন তিনি। এ কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি পরিবারের।

সম্রাটের মামা সত্যজিৎ রায় বলেন, আমরা খবর পেয়ে খুলনা গিয়ে আমার ভাগ্নের মরদেহ হাসপাতালে পড়ে থাকতে দেখি। ৬ মাস আগে আমাদের সে জানায় সাতক্ষীরা পুলিশে চাকরি করে এক মেয়েকে সে ভালোবাসে এবং বিয়ে করতে চায়। পরিবারের একমাত্র ছেলে বলে আমরা আর কিছু না ভেবে দুই পরিবার থেকে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে দেই। বিয়ের পর থেকে পরিবারে সে এক টাকাও দিত না। সব বউ নিয়ে যেত।

তিনি আরও বলেন, ওর সহকর্মীদের কাছ থেকে জানতে পারি প্রতিদিনই ওদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। গতরাতে ফোনে দুজনের মধ্যে রাগারাগি হয়। এরপরই এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

সম্রাটের দুলাভাই বিপ্লব কুমার সেন বলেন, আমার শালাবাবু মা-বাবার সঙ্গে কোনো ঝামেলা ছিল না। পরিবারের একমাত্র ছেলে বলে যা বলতো পরিবার তাই মেনে নিত। ওই মেয়েকে বিয়ে করতে চেয়েছে পরিবার তাই মেনে নিয়েছে। স্ত্রীর সঙ্গে বেশ কিছুদিন যাবৎ ওর ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। এর কারণেই ও আত্মহত্যা করেছে। এছাড়া আমরা আর কোনো কারণ খুঁজে পাই না। ওর সহকর্মীরাও বলেছে গতরাতে ওদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীর বিচার চাই।

খুলনা রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার আহমেদ মাঈনুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, সম্রাট বিশ্বাস আজ ভোরে অস্ত্রাগার (ম্যাগাজিন গার্ড) এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। আনুমানিক ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে নিজের ইস্যুকৃত চাইনিজ রাইফেল দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর