1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সৈয়দপুরে ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন ডুমুরিয়ায় ব্র্যাক সিড এ্যাড এগ্রো এন্টারপ্রাইজ এর আয়োজনে এক দিনের কৃষক প্রশিক্ষণ কয়রায় সুন্দরবনের বনজ সম্পদ রক্ষা ও বনদস্যু নির্মূলে মতবিনিময় সভা সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের র‍্যাবের অভিযানে ১৬৪৯ বোতল ফেনসিডিল সহ ২ মাদক কারবারি আটক সাতক্ষীরার নলতায় সওজের রাস্তার পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর ফের স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক জিয়াউর রহমানের স্মৃতি জড়িত শার্শার উলাশী জিয়ার খাল পুন: খননের শুভ উদ্ধোধনে আসছেন প্রধান মন্ত্রী সুন্দরবন নিয়ন্ত্রনে বন বিভাগের অভিযান ১ বছরে ২৭৪ মামলায় ৪৯৪ ব্যাক্তি আটক ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানালেন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা ইরানি জাহাজে আছে ডায়ালাইসিস আর চিকিৎসার সরঞ্জাম গাজায় ইসরায়েলের হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত

খুলনার ৩৬ আসনে ৮৪২টি ভোট কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০১ বার পঠিত
dumuriya_১৫০৯৯
  • শেখ মাহতাব হোসেন ::

খুলনা (২২ ডিসেম্বর) খুলনাঞ্চলের ৩৬ টি আসনে মোট ৫ হাজার ১৩৩টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৮৪২টি ভোট কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ন) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে খুলনা বিভাগের দশ জেলার ৩৪টি আসনে ৭৬৩টি এবং খুলনা মহানগরীর দুটি আসনে ৭৯টি অধিক ঝুকিপূর্ন ভোট কেন্দ্র রয়েছে।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ) রয়েছে ১ হাজার ৮৫১টি ভোট কেন্দ্র। প্রতিটি থানা থেকে সন্ত্রাস কবলিত এলাকা চিহ্নিত করে এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, খুলনা জেলার দশ জেলায় ৩৪টি আসনে ৪ হাজার ৮২৪টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এরমধ্যে অধিক ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ৭৬৩টি। এছাড়া (ঝুকিপূর্ন) গুরুত্বপূর্ন রয়েছে ১ হাজার ৭২৩টি কেন্দ্র এবং সাধারণ ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা হচ্ছে ২ হাজার ৩৩৮টি।

সূত্র জানায়, খুলনা জেলায় ৪টি সংসদীয় আসনে ১৩৫টি ভোট কেন্দ্র অধিক ঝুকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ) রয়েছে। এছাড়া যশোরে ১৮৬টি, বাগেরহাটে ১৮৬টি, সাতক্ষীরায় ৫৯টি, ঝিনাইদহে ৩৩টি, মাগুরায় ৫৫টি, নড়াইলে ৪২টি, কুষ্টিয়ায় ৯৯টি, চুয়াডাঙ্গায় ৫৭টি এবং মেহেরপুরে ২৭টি অধিক ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে।

জানতে চাইলে খুলনার অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি (অপারেসন্স) শেখ জয়নুদ্দিন বলেন, তিন ক্যাটাগরিতে ভোট কেন্দ্রের তালিকা তৈরী করা হয়েছে। স্থানীয় থানা ও গোয়েন্দা তত্যের ভিত্তিতে অধিক গুরুত্বপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ ক্যাটাগরিতে তালিকা তৈরী করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা প্রদানে পুলিশ কাজ করবে। এ লক্ষ্যে পুলিশকে ২৮টি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২০টি প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে বাকী ৮টি প্রশিক্ষণ হবে।

খুলনা মহানগর দুটি আসন

এদিকে খুলনার ৩৬টি আসনের মধ্যে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় রয়েছে দুটি আসন। খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) এবং খুলনা-৩ (খালিশপুর-দৌলতপুর- খানজাহানআলী-আড়ংঘাটা) আসনে মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩০৯টি। এরমধ্যে ৭৯টিকে অধিক ঝুকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ) এবং ১২৮টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থাৎ এ দুটি আসনে ৬৭ শতাংশ ভোটকেন্দ্রেই ঝুঁকি দেখছে পুলিশ।

এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এবার আগেভাগেই মহানগরীর ভোটকেন্দ্রগুলোর ঝুঁকি যাচাই করেছে পুলিশ। এতে ৩০৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭৯টিকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং ১২৮টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থাৎ, ৬৭ শতাংশ ভোটকেন্দ্রেই ঝুঁকি দেখছে তারা।

সূত্র জানায়, খুলনার ৬টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ৮৪০টি। এর মধ্যে মহানগরীর ভেতরে রয়েছে ৩০৯টি কেন্দ্র। খুলনা-২ ও খুলনা-৩ আসনের সব ভোটকেন্দ্রই মহানগরীর ভেতরে। এর বাইরে খুলনা-১ আসনের ১৫টি এবং খুলনা- ৫ আসনের ২২ কেন্দ্র পড়েছে নগরীর সীমানায়। এসব এলাকার সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় শুধু মহানগরীর কেন্দ্রগুলোর ঝুঁকি আগে পর্যালোচনা করা হয়েছে।

গত সেপ্টেম্বর মাসে মহানগরীর ভেতরের ভোটকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করে ঝুঁকি বিবেচনার জন্য থানার ওসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়। মহানগর পুলিশের আটটি থানার ওসি গত মাসে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

খুলনা মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) ত ম রোকনুজ্জামান জানান, আগে ওই কেন্দ্রে কখনও গোলযোগ হয়েছে কিনা, কোনো কারণে অতীতে ওই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ হয়েছে কিনা, কেন্দ্রটি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তিরবাড়ির আশপাশে কিনা, ভোটকেন্দ্রটি দুর্গম এলাকায় কিনা, কেন্দ্রের চারপাশে সীমানা প্রাচীর অথবা নির্বিঘ্নে যাতায়াতের সুযোগ রয়েছে কিনা, অপরাধ করে দ্রুত সটকে পড়ার আশঙ্কা কেমন– এসব বিবেচনায় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অতি গুরুত্বপূর্ণ তালিকা করা হয়।

খুলনা-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রাজু আহমেদ বলেন, নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন এবং উৎসবমুখর করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সেভাবেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

খুলনা মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, ভোটকেন্দ্র ও ভোটের পরিবেশ নিয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। এবার ভোটকেন্দ্রে যেসব পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, কয়েক মাস আগে থেকেই তাদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। এখনও প্রশিক্ষণ চলছে। ভোটকেন্দ্রে গোলযোগ যেন না হয়, সে জন্য করণীয়, গোলযোগ হলে কী করতে হবে– এসব বিষয়ে বিশদভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আগে এ ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ছিল না।

তিনি বলেন, খুলনার ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ১৪১টিতে নিজস্ব সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। নির্বাচনের আগে বাকিগুলোতে ক্যামেরা সংযোজন করা হবে। এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের কাছেও ক্যামেরা থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর