1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কয়রায় বিয়ের ১৭ দিনের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে যুবকের আত্মহত্যা কয়রায় মাস ব্যাপী গণসংযোগ উপলক্ষে জামায়াতের দাওয়াতী সমাবেশ নারী-শিশুদের কল্যাণ ও অধিকার নিশ্চিতে কাজ করার প্রত্যয় এমপি বিলকিস ইসলাম’র  কয়রায় ৩৮ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক নেপালের বন্যা: সীমান্ত বিহীন জলবায়ু সংকট কপিলমুনিতে কবরস্থানের জায়গা দখল করে ইমারত নির্মাণ, প্রতিবাদে মানববন্ধন আজ শুভ জন্মাষ্টমী বাস চলাচলে বৈষম্য দুর করতে নীলফামারী মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের ৭ দিনের আল্টিমেটাম কয়রায় ৪রশতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে পানির ট্যাংকি বিতরণ কয়রায় সিএনআরএসের উপজেলা পর্যায়ে প্রকল্প শেয়ারিং কর্মশালা

ডুমুরিয়ার মাদার ডাঙ্গার নিউটন মন্ডলকে সবাই কচু নিউটন বলেই চেনে

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৫ বার পঠিত
dumuriya-15418
  • শেখ মাহতাব হোসেন (ডুমুরিয়া) খুলনা::

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার রংপুর ইউনিয়নের ঘোনা মাদারডাঙ্গা গ্রামের নিউটন মন্ডল।

মহানগরীর দৌলতপুর-শাহপুর সড়কের পাশে দিয়ে এগুলে দেখা মেলে পানিকচুর ক্ষেত। তাকে এলাকায় এখন কচু নিউটন বললেই চেনে।

একসময় নিউটন মন্ডল বেসরকারি পাটকলে কাজ করতেন। পাটকলে কাজের সময় শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতা তাকে পেয়ে বসে। মিলের কাজ ছেড়ে দেন। অভাবের সংসারে কী করবেন।

বাড়ির পার্শ্বে ৩৪ শতক জমি বর্গা নিয়ে শুরু করেন চাষাবাদ। লাভজনক না হওয়ায় ২০০৫ সালে তিনি জমির কিছু অংশে স্থানীয় জাতের পানিকচুর চারা রোপণ করেন। এরপর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন জমির পরিমাণ ৫৫ শতক।
বর্গা নেওয়া এই জমির প্রতি বছরের ভাড়া দিতে হয় ১২ হাজার টাকা। এখন কচুরলতি, ফুল ও কচু এবং চারা বিক্রি করে প্রতিবছরের প্রায় ৫ লাখ টাকা আয় করেন। এলাকায় সুখ্যাতি হয়েছে বেশ। ঘেরের পাড় থেকে দেশি জাতের কিছু পানিকচুর চারা সংগ্রহ করে সম্পূর্ণ নিজস্ব পদ্ধতিতে চারা রোপণ করা হয়।

ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে গাছ লাগানো শেষ হয়ে যায়। তিন ফুট দূরত্বে কচুর চারা রোপণ করা হয়। কোদাল দিয়ে এক ফুট গভীর করে চাষ দেওয়া হয়।

চারা লাগানোর পর জৈব ও রাসায়নিক সার দেন সুষমভাবে। রোপণের ৪৫ দিনের মাথায় লতি বিক্রির উপযোগী হয়। তার এ কচু ৭ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। প্রত্যেকটির ওজন হয় ২০/৩২ কেজি। নিজস্ব ভ্যানে করে খুলনা শহরে নিয়ে কচু বিক্রি করেন নিউটন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেস বুক) ব্যবহার করেও বিক্রির কার্যক্রম করে থাকেন তিনি। এখন সেই কচু কোরিয়ায় পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি চলছে। ক্ষেত থেকে কচু তুলে পরিষ্কার করে ছিলে ফেলা হচ্ছে। পরে একহাত করে কেটে রোদে শুকাতে দেওয়া হয়। তিন/চারদিন শুকানোর পর সেই কচু খুলনা শহরে এনে কোরিয়ান বায়ারের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি।

কচু চাষি নিউটন মন্ডল জানান, এতদিন আমার কচু দেশের মধ্যে খুলনা, বরিশাল, ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগে গিয়েছে। এখন সেই কচু যাচ্ছে দেশের বাইরে। একসময় মানুষের পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেও কেউ ফিরে তাকাতো না। এখন দেশের বিভিন্ন স্থানের মানুষ আমারে চেনে। অনেক বড় বড় মানুষ আমার ক্ষেত দেখতে আসে।

শ্রম কখনো বিফলে যায় না। এখন একটাই স্বপ্ন মেয়েটা বড় হয়ে ডাক্তার হবে। এলাকার গরিব, দুঃখি মানুষের সেবা করবে।
নিউটনের স্ত্রী স্মৃতিলতা মালাকার জানান, শুরুর দিকে অনেক মানুষ অনেক কথা বলেছিল। আমরা থেমে যাইনি। আর এখন সেই কচুতে আমাদের পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে। আমাদের মেয়েটি স্কুলে যাচ্ছে। গরুর খামার করেছি। পেয়ারার চাষ, বিটি বেগুন এবং চুঁইঝালের চাষাবাদও ভাল হচ্ছে।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর