নিজস্ব প্রতিবেদক::
খুলনার পাইকগাছায় বিসিআইসি ও বিএডিসির ২৭ টি ডিলার পয়েন্ট মূলত তিনটি পরিবারের অনুকুলে রয়েছে। স্ব-নামে বেনামে ঐ পরিবারগুলো সারের বাজার থেকে শুরু করে কৃষি ও কৃষকের ভাল-মন্দ বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে। এরমধ্যে একজন ব্যবসায়ীর নিয়ন্ত্রনে রয়েছে বিসিআিইসির তিনটি ও বিএডিসির ৬টিসহ মোট ৯টি ডিলার লাইসেন্স। এরমধ্যে স্বামী-স্ত্রী, ভাই-ভাবী, শ্বশুর, পিতা, মামা, মামাতো ভাই, শ্যালকরাও রয়েছেন।
এছাড়াও নিকটাত্নীয়দের মধ্যেও রয়েছে আরো একাধিক খুচরা ডিলার। আর এসব খুচরা পয়েন্টের সার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিসিআইসি ডিলারের নিকট থেকে ক্রয়ের কথা থাকলেও তিনি ভিন্ন ইউনিয়নে অনাবাদি এলাকার বরাদ্দকৃত ডিলার গুদাম থেকেই সার আমদানি করে বাজারজাত করছেন। চাহিদা না থাকায় বরাদ্দ নিয়েও নিজ গুদামে না নিয়ে জায়গা থেকে বিক্রি করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে নিয়ন্ত্রক এক ডিলারের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় বিভিন্ন সময় অভিযোগের প্রেক্ষিতে অন্যান্য সার ডিলার ও কৃষি কর্মকর্তার সাথেও দুরত্ব তৈরি হয়েছে ঐ ডিলারের সাথে।
সুন্দরবন উপকূলীয় কৃষি নির্ভর উপজেলার ১০ ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভায় বিসিআইসি’র ১১ টি ও বিএডিসির আরো ১৬ টিসহ মোট ২৭ টি ডিলার বরাদ্দ রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে খুচরা সার বিক্রির সাব ডিলার রয়েছে আরো প্রায় ১০০ জন। যা নিয়ন্ত্রন করেন মূলত তিনটি পরিবার থেকে।
মাত্র তিনটি পরিবারের নিয়ন্ত্রনে থাকা সার বিপননের সীমাণা নিয়েও রয়েছ জটিলতা। মূলত এদের একাধিক ব্যবসায়ী বাণিজ্যিক কেন্দ্র কপিলমুনি কেন্দ্রীক ডিলার সীমাণা নিয়ে সংকটে রয়েছেন। কেউ জোর করে ভিন্ন সীমাণায় ঢুকেছে আবার কেউবা আশ্রয় নিয়েছে কৌশলের।
এমন পরিস্থিতিতে কিভাবে চলছে পাইকগাছার কৃষি ও কৃষক? আর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনইবা করছেটা কি? কৃষির আদ্যপান্ত নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দেখতে আমাদের সাথেই থাকুন।