নিজস্ব প্রতিনিধি::
গত ২/৩ দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইনে পাইকগাছার কপিলমুনিতে টি,সি,বি’র কার্ড সংশোধন ও যাচাই-বাছাই নিয়ে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে কপিলমুনি ইউপির ৪নং ওয়ার্ড সদস্য রবীন্দ্রনাথ অধিকারী কর্তৃক ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ছখিনা বিবিকে চেয়ার ছুড়ে মারা নিয়ে প্রকাশিত খবরগুলি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। মূলত স্থানীয় কতিপয় মহল সমাজে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে উক্ত মহিলা সদস্যকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ ও সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করেছে।
প্রকৃতপক্ষে গত শুক্রবার (১১ আগস্ট) সকালে আমি আমার নিজ কার্যালয়ে বসে উপজেলার নির্দেশনা অনুযায়ী টিসিবি’র কার্ড সংশোধনের জন্য উপকারভোগীদের আইডি কার্ডসহ তথ্য-উপাথ্য আপডেট করছিলাম। এসময় উক্ত মহিলা সদস্য ছখিনা বেগম আমার কার্যালয়ে ঢুকে তার কাছে কার্ড পাঠানোর কৈফিয়ৎসহ অশ্লীল ভাষায় গালি-গালাজ করতে থাকে।
প্রকৃতপক্ষে উক্ত মহিলা সদস্য ইতোপূর্বে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে সুবিধাভোগী কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছেন। এনিয়ে প্রতিবাদ করায় আগে থেকেই তিনি আমার বিরুদ্ধাচারণ করে আসছিলেন।
সর্বশেষ ঘটনার দিন তিনি আমার অফিসে গিয়ে আমাকে অপমান করে উল্টো আমার বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। যা ঘটনার দিন উপস্থিত এলাকাবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন। তাই তাকে লাঞ্ছিত কিংবা চেয়ার ছুড়ে মারার প্রশ্নই ওঠেনা।
প্রকৃতপক্ষে আমি কপিলমুনি ইউপির বারবার নির্বাচিত সদস্য ও কপিলমুনি বাজার বণিক সমিতির বার বার নির্বাচিত ব্যবসায়ীক প্রতিনিধি হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সহিত সেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমার সামাজিক ও মানবিক কাজে ঈর্শান্বিত হয়ে আমার রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রতিপক্ষরা উক্ত মহিলা সদস্যকে দিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
আমি প্রকাশিত খবর সমূহের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি বিষয়টি তদন্তপূর্বক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারে। তদন্তে আমার বিরুদ্ধে কোন রকম অসংগতি কিংবা অভিযোগ প্রমানিত হলে যেকোন ধরনের সাজা আমি মাথা পেতে নিব। অন্যথায় উপল্লেখিত মহিলা সদস্যের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে আমি প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
বিণীত নিবেদক
রবীন্দ্রনাথ অধিকারী
৪নং ওয়ার্ড সদস্য
কপিলমুনি ইউপি, পাইকগাছা, খুলনা।