1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
পাকিস্তানে ফিরলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি, ফের যাচ্ছে রাশিয়া পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে বাল্যবিবাহ পন্ড, ভূয়া কাজী ও বরকে জরিমানা পাইকগাছায় বিদ্যুৎ অফিস বোমায় উড়িয়ে দেয়ার হুমকি, আটক যুবকের মুচলেকায় মুক্তি মুন্সীগঞ্জে ঘুষ গ্রহণকারী স্টেনোটাইপিস্ট প্রত্যাহারের পর বদলী পাইকগাছায় জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরী, ৬ বছরের কারাদণ্ড কয়রার হায়াতখালী বাজারের জায়গা দখল ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপর্যস্ত শার্শার জনজীবন তালায় ফসলি জমি ও কপোতাক্ষ বেঁড়িবাধের মাটি গিলছে ইটভাটা মুন্সীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে রক্ষা ডুমুরিয়ায় এসিআই বীজ কোম্পানির মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

মীর কাশেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমান ৮ বছর পর মুক্ত

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০২৪
  • ৬২ বার পঠিত
ayman-9735

দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর খোঁজ মিলেছে মীর কাশেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমানের। গতকাল সোমবার মধ্যরাতে তিনি মুক্ত হন।

ব্যারিস্টার আরমানের পরিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ayman-9733

২০১৬ সালের ৯ আগস্ট ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাশেম আরমানকে নিজ বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় মিরপুর ডিওএইচএস’র ১১ নম্বর সেকশনের ৭ নম্বর রোডের ৫৩৪ নম্বর বাড়ির দোতালায় থাকতেন তিনি। এই বাসা থেকেই দুই শিশু সন্তান, স্ত্রী ও বোনের সামনে থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাকে। এর পর আর আনুষ্ঠানিকভাবে তার হদিস পাওয়া যায়নি।

গতকাল সোমবার রাতে কর্নেল সামসের নেতৃত্বে রাতে ২০-২৫ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনরা রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের কচুক্ষেত এলাকায় অবস্থান নেন।

তারা গণমাধ্যমকে বলেন, ডিজিএফআইয়ের আয়না ঘরে অনেক মানুষকে অন্যায়ভাবে বন্দি করে রাখা হয়েছে। বন্দিদের ছাড়িয়ে নিতে আমরা অবস্থান নিয়েছি। তাদের অক্ষত অবস্থায় হস্তান্তর না করা পর্যন্ত আমরা ফিরব না। বন্দিদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের অবস্থান চলবে। আমাদের সঙ্গে গুম হওয়া স্বজনদের সংগঠন মায়ের ডাকও যোগ দেয়। মুক্তির জন্য জন্য চাপ প্রয়োগের এক পর্যায়ে মুক্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়া যায়।

ayman-9734

এ সময় উপস্থিত লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান বীর প্রতীক বলেন, বছরের পর বছর ডিজিএফআই, র‌্যাব ও পুলিশের বন্দিশালায় অসংখ্য মানুষকে গুম করে রাখা হয়েছে। রাতের মধ্যে তাদের মুক্তি দিতে হবে। তা না হলে দায়মুক্তির জন্য তাদের মেরে ফেলা হতে পারে। যদি আমাদের কাছে হস্তান্তর করা না হয় তাহলে পরবর্তী ঘটনার দায় ডিজিএফআইয়ের বর্তমান কর্মকর্তাদের নিতে হবে। আমরা দাবিগুলো সেনা কর্তৃপক্ষ ও সেনাপ্রধানকে পাঠিয়েছি। তাদের উত্তরের অপেক্ষায় আছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর