1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
পাইকগাছায় জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরী, ৬ বছরের কারাদণ্ড কয়রার হায়াতখালী বাজারের জায়গা দখল ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপর্যস্ত শার্শার জনজীবন তালায় ফসলি জমি ও কপোতাক্ষ বেঁড়িবাধের মাটি গিলছে ইটভাটা মুন্সীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে রক্ষা ডুমুরিয়ায় এসিআই বীজ কোম্পানির মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত সৈয়দপুরে ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন ডুমুরিয়ায় ব্র্যাক সিড এ্যাড এগ্রো এন্টারপ্রাইজ এর আয়োজনে এক দিনের কৃষক প্রশিক্ষণ কয়রায় সুন্দরবনের বনজ সম্পদ রক্ষা ও বনদস্যু নির্মূলে মতবিনিময় সভা সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের র‍্যাবের অভিযানে ১৬৪৯ বোতল ফেনসিডিল সহ ২ মাদক কারবারি আটক

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপর্যস্ত শার্শার জনজীবন

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৬ বার পঠিত
bivrat-16417
  • আব্দুল মান্নান, শার্শা (যশোর) থেকে::

তীব্র গরমে ঘন ঘন ও দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ বিভ্রাট (লোডশেডিং) জনমনে চরম হতাশা, ক্ষোভ ও ভোগান্তি তৈরি করেছে।ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের শার্শার জনজীবন।

শহরের পাশাপাশি সমানতালে লোডশেডিং চলছে গ্রামাঞ্চলেও। দিনের বিভিন্ন সময়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিশেষ করে শিশু, শিক্ষার্থী ও বয়স্কদের দুর্দশা চরমে পৌঁছেছে। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় এই সংকট তৈরি হয়েছে।

বোরো মৌসুম হওয়ায় সেচ নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন কৃষকরা। গত কয়েকদিন ধরে উপজেলা জুড়ে দিনে রাতে ব্যাপক বিদ্যুৎ আসা যাওয়া বেড়েছে। চলছে লোডশেডিং। এতে রীতিমত অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন বলে জানান স্থানীয়রা।

কালীয়ানি গ্রামের আব্দুল হামিদ বলেন, বোরো চাষের পুরোটায় সেচনির্ভর। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ঠিক মতো সেচ কাজ চালাতে পারছেন না কৃষক। এ অবস্থা চলতে থাকলে ফসল আবাদ ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

টেংরা গ্রামের সেচ মালিক শামীম হোসেন বলেন, সারাদিন কারেন্ট থাকে না বললেই চলে। মানুষ সেচ নেওয়ার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকে। দিনরাত সমান তালে চলছে লোডশেডিং। আমরা শেষ সময়ে এসে অসহায় হয়ে পড়িছি। জামতলা বাজারে
ম্যাকানিকের কাজ করেন লিটু হোসেন।

লিটু বলেন, বিদ্যুৎ বাদে আমি অচল। টেলিভিশন, ফ্যান, লাইট, মোবাইল ফোন সারাই এর কাজ করি। যেটুকু বিদ্যুৎ পাই তা
দিয়ে একটা কাজও তুলতে পারছি নে। রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারছে না। বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা যাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে।

এসএসসি পরীক্ষার্থী আল মামুন বলেন,পরীক্ষা চলছে। সারাদিন বিদ্যুৎ আসে আর যায়।সন্ধা নামার পরপরই বিদ্যুতের লোডশেডিং শুরু হয়। পড়াশোনা করতে পারছি না। নাভারনের খলিলুর রহমান বলেন,প্রতি একঘন্টা অন্তর লোডশেডিং হচ্ছে।
অসুস্থ মানুষ। তীব্র গরমে অসুস্থতা বেড়েই চলেছে।

বারোপোতা গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, ক্ষেতে ধানের চারা লাগানোর পর থেকেই ঠিকমতো কারেন্ট পাচ্ছি না। দিনের পর দিন সেচ মোটরের পিছনে ঘুরতে হচ্ছে। জমিতে ঠিক মতো পানি দিতে পারছি না।

বাগআচড়ার ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে আমরা অতিষ্ঠ। এভাবে বারবার বিদ্যুৎ চলে গেলে ব্যবসা পরিচালনা করা অসম্ভব।

বন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রচন্ড রোদে আমাদের খোলা মাঠে পণ্য লোড আনলোডের কাজ করতি হয়। মাঝে মাঝে বিশ্রামের দরকার হয়। কিন্তু অধিকাংশ সময় লোডশেডিং চলায় বিশ্রামে কোন স্বস্তি নেই।

যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -১ এর শার্শা জোনাল অফিসের ডিজিএম দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য বলেন, উপজেলার শার্শা, বেনাপোল, বাগআচড়া ও সাড়াতলা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের জন্য দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ৪২ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে কেন্দ্রীয় গ্রিড থেকে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৫ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ১৭ মেগাওয়াট ঘাটতির কারণে এই লোডশেডিং হচ্ছে। উপজেলা পরিষদ, বেনাপোল বন্দর ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৃথক ভাবে কোন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা নেই বলে জানান এই কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর