1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মুন্সীগঞ্জে সাদা রঙে ঐতিহ্যের ছাপ, মিরকাদিমের ধবল গরুর কদর দেশজুড়ে সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের অভিযোগ ১ জেলে আটক যশোরে বিজিবির হাতে সাড়ে ৬ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ৩ পাচারকারী আটক পাইকগাছায় পূজা উদযাপন পরিষদের ভবন নির্মাণ কাজর গ্রেড বিম ঢালাই সম্পন্ন সুন্দরবন উপকূলীয় পাইকগাছার লবনাক্ত মাটিতে আঙ্গুরের চাষ সম্ভাবনা জাগিয়েছে কালিগঞ্জে সরকারি জায়গায় অবৈধ ভবন নির্মাণে এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! মনিরামপুর উপজেলাকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট মডেলে গড়তে চান কামরুজ্জামান শাহীন ডুমুরিয়ায় সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন পাইকগাছায় জব্দকৃত বিপুল পরিমাণ পারশের পোনা নদীতে অবমুক্ত চিরকুমারী মিনু সাহার পালিত গরু রাজা মানিক গোয়াল ভেঙে বের করতে হবে

মুন্সীগঞ্জে সাদা রঙে ঐতিহ্যের ছাপ, মিরকাদিমের ধবল গরুর কদর দেশজুড়ে

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ২৫ বার পঠিত
munsigang-16496
  • লিটন মাহমুদ, মুন্সীগঞ্জ ::

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী “ধবল গরু” আবারও দেশজুড়ে আলোচনায়। শরীরের লোম, চোখের পাপড়ি, নাক থেকে খুর পর্যন্ত সম্পূর্ণ সাদা রঙের এই বিশেষ জাতের গরু বহু বছর ধরে দেশের পশুপ্রেমী ও কোরবানির ক্রেতাদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত।

মিরকাদিম পৌর এলাকার প্রায় ২০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্য বহন করে চলেছে ধবল বা সাদা গরু। ধবধবে সাদা রং, শরীরজুড়ে গোলাপি আভা, চোখের পাপড়ি সাদা, নাকের সামনের অংশ সাদা, পায়ের খুর সাদা, লেজের পশম সাদা, আর সারা শরীরও সাদা এবং শান্ত স্বভাবের জন্য এই উন্নত জাতের গবাদি পশু দীর্ঘদিন ধরেই বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে। এসব ধবল গরু একদিকে দেখতে সুন্দর এবং অন্যদিকে মাংসও খুব সুস্বাদু।

এক একটি গরু ১ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়।বিশেষ করে কোরবানির ঈদে পুরান ঢাকার ক্রেতাদের কাছে মিরকাদিমের ধবল গরুর আলাদা কদর রয়েছে। এক সময় কোরবানির ঈদে পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জের গনি মিয়ার হাটের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলো মুন্সীগঞ্জের মীরকাদিমের ধবল (সাদা) গরু।

স্থানীয় খামারিদের মতে, প্রায় দুই শতাব্দীর পুরোনো এই ধারা এখনো টিকে আছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। বিশেষ করে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীরা আগেভাগেই মিরকাদিমে এসে এসব গরু বুকিং দিয়ে যান। ধবল গরুর মাংসের স্বাদ ও গুণগত মানের কারণে এর চাহিদা বরাবরই বে

তবে খামারিরা বলছেন, পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকট এবং আধুনিক হাইব্রিড জাতের সঙ্গে প্রতিযোগিতার কারণে এই ঐতিহ্য ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক ছোট খামারি ধীরে ধীরে এই বিশেষ জাতের গরু পালন থেকে সরে যাচ্ছেন।

তবুও মিরকাদিমের ধবল গরু শুধু একটি পশু নয়, এটি এ অঞ্চলের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্থানীয়দের আশা, যথাযথ সহায়তা ও সংরক্ষণ উদ্যোগ থাকলে এই ঐতিহ্য আরও দীর্ঘদিন টিকে থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর