সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি::
সৈয়দপুরে নিয়মবহির্ভূত ভাবে ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা এবং নিষিদ্ধ কেমিক্যাল মিশিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম উৎপাদন করায় দুইটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও দুইটি আইসক্রিম ফ্যাক্টরী মালিকের ৬৯ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের আভিযানিক দল।
এসবের মধ্যে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ৬০ হাজার ও দুই আইসক্রিম ফ্যাক্টরী মালিকের ৯ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
গতকাল সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ পরিচালক মো.আজাহারুল ইসলামের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ওই অভিযান চালানো হয়।
আভিযানিক দলের সুত্র জানায়,উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ মার্কেট সৈয়দপুর প্লাজাস্থ রোগ নির্ণয় প্রতিষ্ঠান সেন্টাল ল্যাব ও নতুন বাবুপাড়াস্থ পৌরসভা সড়কের সোনার বাংলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে বিভিন্ন ধরনের এক্সরেসহ অন্যান্য পরীক্ষায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চাইতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, টেকনিশিয়ান না থাকা, রিপোর্ট তৈরীর আগেই চিকিৎসকের স্বাক্ষর ও সীল থাকা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র না থাকায় সেন্ট্রাল ল্যাবের ৪০ হাজার টাকা এবং সোনার বাংলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
এছাড়া শহরের বাঁশবাড়ি এলাকায় নিষিদ্ধ কেমিক্যাল ও ক্ষতিকর রংয়ের মিশ্রণে আইসক্রিম উৎপাদন এবং বাজারজাত করার দায়ে মধু আইসক্রিম ফ্যাক্টরী মালিক মমতাজের ৫ হাজার এবং সোনার বাংলা আইসক্রিম ফ্যাক্টরী মালিক আরিফের ৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ পরিচালক মো. আজাহারুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থদণ্ড করেন।
অভিযান চলাকালে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে সংস্থাটির নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মো. শামসুল আলম, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা জয় চন্দ্র রায়,সৈয়দপুর উপজলা স্যানিটারি পরিদর্শক আলতাফ হোসেন সরকারসহ থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জাতীয় অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো.আজাহারুল ইসলাম বলেন ভোক্তাদের স্বার্থে যেখানে অনিয়ম সেখানেই আমাদের অভিযান চলবে।