1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
পাইকগাছায় পাউবো কর্মকর্তার নির্দেশে কলোনির লেকের মাছ লুট! আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ শ্যামনগরে মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু সৈয়দপুরে লায়ন্স জেলা ৩১৫ এ ২-এর নিরাপদ পানীয় জল প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনিতে পাউবো’র বেড়িবাঁধের ৪০ পয়েন্টে ভাঙন সৈয়দপুর – কিশোরগঞ্জের উন্নয়নে সবধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে- বিলকিস ইসলাম এমপি সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ ধরার অপরাধে ২ জেলে আটক নতুন ভবন তালাবদ্ধ , ডুমুরিয়ায় স: প্রা: বিদ্যালয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান ২৫ বছর পর নয়নের খালে প্রাণ, পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের উদ্বোধন  তালায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, হামলা গৃহবধু ও তার ১৪ মাস বয়সী শিশু কন্যা আহত

ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১ আগস্ট, ২০২২
  • ১৫৮ বার পঠিত

একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষাবীর, রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী আজ।

এম এ ওয়াদুদ ১৯২৫ সালের ১ আগস্ট চাঁদপুর জেলার রাঢ়ির চর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার দুই সন্তানের একজন বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি অন্যজন জাওয়াদুর রহিম ওয়াদুদ টিপু।

এম এ ওয়াদুদ ঢাকা কলেজে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। কর্মজীবনের তিনি সাপ্তাহিক ইত্তেফাক ও পরবর্তী সময়ে সেটি দৈনিকে রূপান্তরিত হওয়ার সময়ে যুক্ত ছিলেন।

এম এ ওয়াদুদ একজন ভাষা সৈনিক। ভাষা আন্দোলনের জন্য কয়েকবার জেলও খেটেছেন তিনি। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ায় ১৯৪৮, ১৯৫২ ও ১৯৫৪ সালে জেল খেটেছেন। ১৯৪৯ সালে সালে ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে বঙ্গবন্ধুসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি।

আদর্শবান রাজনীতিবিদ, ভাষা আন্দোলন কর্মী এম এ ওয়াদুদকে ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে সরকার মরণোত্তর একুশে পদক দেয়।

রাজনৈতিক জীবনে এম এ ওয়াদুদ আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। ১৯৫৩-৫৪ সালে তিনি প্রাদেশিক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। এছাড়া দুই দুইবার ঢাকা নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও একবার প্রাদেশিক ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থে লিখেছেন, ‘…ওয়াদুদ পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সম্পাদক হয়েছিল। যদিও আমি সদস্য ছিলাম না, তবু ছাত্রনেতারা আমার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন। প্রয়োজন মত বুদ্ধি পরামর্শ দিতে কার্পণ্য করি নাই। এরাই আমাকে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে শ্রদ্ধা করেছে।’

বঙ্গবন্ধু আরও লিখেছেন (অসমাপ্ত আত্মজীবনী, পৃ. ১২৭) এম এ ওয়াদুদ অনেক গুছিয়ে বলতেন, সম্মোহনী বক্তৃতা দিতেন। শিশুদের প্রতি স্নেহ ছিল তার সহজাত। তিনি কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার উপদেষ্টাও ছিলেন। তার সান্নিধ্যে যারাই গিয়েছেন, তারাই তার নির্মোহ দেশপ্রেমের রাজনীতির প্রশংসা করেছেন।

এম এ ওয়াদুদ ১৯৮৩ সালের ২৮ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।- সংগৃহীত

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর