1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আলোচিত নেছার হত্যা মামলায় ‎২ আসামির যাবজ্জীবন সাতক্ষীরায় দুধের ক্রিম উঠিয়ে পাম তেলের মিশ্রণে ফের প্রক্রিয়াজাত, ৬ মাসের কারাদন্ড সৈয়দপুর পৌরসভায় উন্নয়ন বিষয়ক দুই দিনের কর্মশালা শেষ ডুমুরিয়ায় বিভিন্ন নদ নদী খালজুড়ে কচুরিপানা, ভোগান্তিতে মৎস্যজীবী‌ ও কৃষক পাইকগাছায় কৃষি উন্নয়নে লো লিফট পাম্প স্থাপন পাইকগাছায় খাল খনন কার্যক্রমে প্রশাসনের মনিটরিং রাজগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চিকিৎসাধীন রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু ঝাঁপায় আওয়ামী লীগ নেতা ও শিক্ষাবিদ আকবর আলীর ইন্তেকাল খুলনায় প্রতিবন্ধী ইতু হত্যা মামলায় ১ জনের যাবজ্জীবন, ৩ জন খালাস সিলেট উত্তর ছাত্র জমিয়তের উদ্যোগে শাপলা চত্বরে নিহত শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১ আগস্ট, ২০২২
  • ১৫২ বার পঠিত

একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষাবীর, রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদের ৯৭তম জন্মবার্ষিকী আজ।

এম এ ওয়াদুদ ১৯২৫ সালের ১ আগস্ট চাঁদপুর জেলার রাঢ়ির চর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার দুই সন্তানের একজন বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি অন্যজন জাওয়াদুর রহিম ওয়াদুদ টিপু।

এম এ ওয়াদুদ ঢাকা কলেজে ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেন। কর্মজীবনের তিনি সাপ্তাহিক ইত্তেফাক ও পরবর্তী সময়ে সেটি দৈনিকে রূপান্তরিত হওয়ার সময়ে যুক্ত ছিলেন।

এম এ ওয়াদুদ একজন ভাষা সৈনিক। ভাষা আন্দোলনের জন্য কয়েকবার জেলও খেটেছেন তিনি। সেই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়ায় ১৯৪৮, ১৯৫২ ও ১৯৫৪ সালে জেল খেটেছেন। ১৯৪৯ সালে সালে ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে বঙ্গবন্ধুসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি।

আদর্শবান রাজনীতিবিদ, ভাষা আন্দোলন কর্মী এম এ ওয়াদুদকে ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে সরকার মরণোত্তর একুশে পদক দেয়।

রাজনৈতিক জীবনে এম এ ওয়াদুদ আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। ১৯৫৩-৫৪ সালে তিনি প্রাদেশিক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। এছাড়া দুই দুইবার ঢাকা নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও একবার প্রাদেশিক ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থে লিখেছেন, ‘…ওয়াদুদ পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সম্পাদক হয়েছিল। যদিও আমি সদস্য ছিলাম না, তবু ছাত্রনেতারা আমার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন। প্রয়োজন মত বুদ্ধি পরামর্শ দিতে কার্পণ্য করি নাই। এরাই আমাকে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে শ্রদ্ধা করেছে।’

বঙ্গবন্ধু আরও লিখেছেন (অসমাপ্ত আত্মজীবনী, পৃ. ১২৭) এম এ ওয়াদুদ অনেক গুছিয়ে বলতেন, সম্মোহনী বক্তৃতা দিতেন। শিশুদের প্রতি স্নেহ ছিল তার সহজাত। তিনি কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার উপদেষ্টাও ছিলেন। তার সান্নিধ্যে যারাই গিয়েছেন, তারাই তার নির্মোহ দেশপ্রেমের রাজনীতির প্রশংসা করেছেন।

এম এ ওয়াদুদ ১৯৮৩ সালের ২৮ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।- সংগৃহীত

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর