1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সৈয়দপুরে ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন ডুমুরিয়ায় ব্র্যাক সিড এ্যাড এগ্রো এন্টারপ্রাইজ এর আয়োজনে এক দিনের কৃষক প্রশিক্ষণ কয়রায় সুন্দরবনের বনজ সম্পদ রক্ষা ও বনদস্যু নির্মূলে মতবিনিময় সভা সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের র‍্যাবের অভিযানে ১৬৪৯ বোতল ফেনসিডিল সহ ২ মাদক কারবারি আটক সাতক্ষীরার নলতায় সওজের রাস্তার পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর ফের স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক জিয়াউর রহমানের স্মৃতি জড়িত শার্শার উলাশী জিয়ার খাল পুন: খননের শুভ উদ্ধোধনে আসছেন প্রধান মন্ত্রী সুন্দরবন নিয়ন্ত্রনে বন বিভাগের অভিযান ১ বছরে ২৭৪ মামলায় ৪৯৪ ব্যাক্তি আটক ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানালেন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা ইরানি জাহাজে আছে ডায়ালাইসিস আর চিকিৎসার সরঞ্জাম গাজায় ইসরায়েলের হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত

তালা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে  ঘুষ, অনিয়ম -দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন 

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৯ বার পঠিত
13151

তালা প্রতিনিধি:


সাতক্ষীরার তালা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবুল ফজল মোঃ নুরুল্লাহ’র বিরুদ্ধে চাকুরী দেয়ার নামে ঘুষ গ্রহণ, উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ সহ না অনিয়ম অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৮ সেপ্টম্বর) দুপুরে তালা প্রেসক্লাবের হলরুমে তালা ফাজিল মাদ্রাসার অধাযক্ষ আবুল ফজল মোঃ নুরুল্লাহ’র বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী ইংরেজি শিক্ষক মোঃ নাসিরউদ্দীন।

এসময় অভিযুক্ত অধ্যক্ষের কাছে প্রতারণার শিকার ওই শিক্ষক তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসের ১৬ তারিখে তাকে ইংরেজি ও মোস্তাক আহমেদ কে সমাজবিজ্ঞান শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র দেয়া হয়। সে মোতাবেক ঐ তারিখে তারা অত্র প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেন। এসময় বেতন না থাকায় জীবিকার প্রয়োজনে অন্য জায়গায় পার্টটাইম কাজ করতে থাকেন।

সরকারী কর্মচারীর তালিকায় অত্র মাদ্রাসার ২৩ ও ২৫ নাম্বারে তাদের নাম আছে। নিয়োগ দেয়ার পূর্বে অধ্যক্ষ আবুল ফজল মোঃ নুরুল্লাহ তাদের নিকট ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেন।

এবিয়য়ে আলোচনা সাপেক্ষে ১৫ লক্ষ টাকা দিতে চাইলে তাতে সম্মতি হয়ে তাদের কাছ থেকে ৭ লক্ষ টাকা নগদ গ্রহণ করেন। বাকি টাকা বেতন হওয়ার পরে দিতে হবে বলে জানান তিনি। তবে এর কিছুদিন পরে তিনি নিজেই সাময়িক বহিস্কার হন।

এরপর ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পরে তিনি নিয়োগের নামে ঐ ৭ লক্ষ টাকা বাদে আবারও তাদের কাছে আরো ২০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। তারা এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে গোপনে ঐ দুটি পদ খালি দেখিয়ে অধিদপ্তরে রিপোর্ট প্রদান করেন। এই রিপোর্টের ভিত্তিতে এনটিআরসি’র মাধ্যমে সেই পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখন তারা টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন রকম তালবাহানা শুরু করেছেন অধ্যক্ষ আবুল ফজল নুরুল্লাহ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, এই দূর্ণীতিবাজ অধ্যক্ষ একাধিক বিয়ে করেছেন। খর্ণিয়ায় এক নারীর সঙ্গে অপিত্তকর অবস্থায় জনতার হাতে ধরা পড়েন। ঘরে স্ত্রী থাকা সত্বেও এক ছাত্রীর সাথে অবৈধ শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করে জনরোষে বিয়ে করতে বাধ্য হন।  ভরণপোষণ না দেয়ার কারণে জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেছেন তার তৃতীয় স্ত্রী।

এরআগেও  এই দূণীতিবাজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, অনিয়মের, দূর্ণীতির অভিযোগে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এবিষয়ে আবুল ফজল মোঃ নুরুল্লাহ’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাংবাদিক সম্মেলন করে কি হবে? আমি এখন ফোনে কোনো কথা বলব না। আপনার সাথে স্বাক্ষাতে কথা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর