- কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি ::
সুন্দরবনের মৎস্য ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে হয়রানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ না ধরলেও তাদের নাম ব্যবহার করে ফায়দা আদায় করার চেষ্টা করছে একটি মহল। বর্তমান সময় সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে বন বিভাগের কঠোর নজরদারিতে কমে এসেছে অপরাধ প্রবনতা। অভয়ারণ্যে এলাকায় প্রতিনিয়ত বন বিভাগের চলছে টহল কার্যক্রম। এতে করে চুপসে গেছে অসাধু চক্র। তবে অভয়ারণ্যে এলাকায় এক শ্রেনীর স্বার্থনেষি মহল প্রবেশ করতে না পারায় তারা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে বন বিভাগের কর্মকর্তা সহ মৎস্য ব্যবসায়ীদেরকে হয়রানী করছে।
জানা গেছে সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় বন বিভাগের সহয়তায় অভয়ারণ্য মাছ শিকার চলছে বলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
ঐ সংবাদে যে সকল তথ্য প্রদান করা হয়েছে তা বাস্তবের সাথে কোন মিল নেই।
একটি সুত্রে জানা গেছে, একটিি মহল বন বিভাগের নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ ও কাঁকড়া ধরার জন্য প্রতিনিয়ত চাপ সৃষ্টি করছে। তবে বন বিভাগ কঠোর থাকায় তারা ঐ সকল জায়গায় মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যেতে পারছেনা। আর সেই বিষয়টি কেন্দ্র করে বন বিভাগের লোকদের হয়রানি করতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে।
ঐ সংবাদে যাদের নাম উল্লেখ্য করা হয়েছে তাদের সুন্দরবনের কোন ব্যবসা নেই।
কয়রার গোবিন্দপুর এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, দির্ঘদিন যাবৎ তিনি সুন্দরবনে মাছের ব্যবসা করে আসছে। তবে তার জেলেরা নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ ধরেনা। সম্পুর্ন হয়রানী করার জন্য তার নামটি ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি মিথ্যা ঘটনার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ঐ সংবাদে প্রকাশ করা হয়েছে নিষিদ্ধ এলাকায় মিন্টু গংদের ৩০ খানা নৌকায় মাছ ধরে থাকে। কয়রার মিন্টু সানা বলেন, তার অভয়ারণ্যে এলাকায় কোন ব্যবসা সেই। সম্পুর্ন তাকে হয়রানী করার জন্য তার নাম ব্যবহার করা হয়েছে।
তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নিষিদ্ধ এলাকায় যাতে কোন অসাধু জেলেরা প্রবেশ করতে না পারে তার জন্য টহল কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
ইতিমধ্যে অভয়ারণ্যে এলাকায় প্রবেশ করায় অনেক জেলেকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হ সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে এলাকায় যাতে করে জেলে মাছ ও কাঁকড়া শিকার করতে না পারে তার জন্য বন বিভাগের ম্মার্ট টিম ও বিশেষ টিমের অভিযান চলমান রয়েছে।