- আক্তারুল ইসলাম ::
পাচারের উদ্দেশ্যে ভারত থেকে মাদকের একটা বড় চালান এনে মজুত করা হয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা র্যাব-৬ ,সাতক্ষীরা ক্যাম্পের র্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৭ টি বস্তায় রক্ষিত ১৬৪৯ বোতল ফেন্সিডিল সহ মাদক কারবারি ইমরান হোসেন (৩০)এবং মূল হোতা কামাল হোসেন (৩৩)কে আটক করা হয়।
র্যাবের হাতে আটক কৃত ইমরান হোসেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার খানজিয়া গ্রামের খোরশেদ গাজীর পুত্র অপর মূল হোতা কামাল হোসেন সেহারা গ্রামের মাদক সম্রাট সিদ্দিক ওরফে কেলোর জামাই এবং সেহারা গ্রামের মৃত আকবর আলীর পুত্র। সে দীর্ঘদিন মাদক সম্রাট সিদ্দিকের মেয়েকে বিবাহ করে সিদ্দিকের বাড়িতে ঘর জামাই হিসেবে বসবাস করতো । সিদ্দিক ওরফে কেলো মারা যাওয়ার পর মাদকের ব্যবসা কামাল নিয়ন্ত্রণ করতো ।
মাদক সম্রাট সিদ্দিক ওরফে কেলো সীমান্তবর্তী খানজিয়া এলাকায় মাদকের গডফাদার হিসেবে এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতো।
ভারত থেকে ইছামতি নদী পার করে মাদক সম্রাট ঘর জামাই কামাল হোসেনের বাড়িতে মজুদ করেছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা র্যাব ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার রেজাউল করিমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল কালীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী খানজিয়া এলাকায় শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০ টা থেকে শনিবার বেলা ১ টা পর্যন্ত প্রথম অভিযানে খানজিয়া গ্রামের মাদক কারবারি ইমরান হোসেনকে আটক করতে সক্ষম হয় র্যাব সদস্যরা।
পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তি ও তথ্য মতে নলতা ইউনিয়নের সেহারা গ্রামের মৃত মাদক সম্রাট সিদ্দিকের ঘর জামাই কামাল হোসেনের বাড়িতে হানা ও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৬ টি প্লাস্টিকের বস্তা ও ১ টি বাজারের ব্যাগে রক্ষিত ১৬৪৯ বোতল ফেনসিডিল সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর জব্দকৃত ফেনসিডিল সহ দুই মাদক কারবারিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলার জন্য সাতক্ষীরা র্যাব ক্যাম্পে নিয়ে যায় র্যাপিড অ্যাকশন খুলনা ব্যাটালিয়ানের সাতক্ষীরা ক্যাম্পের সদস্যরা।
এই দুই মাদক কারবারি ছাড়াও তাদের সহযোগীরা প্রতিনিয়ত ভারত থেকে মাদক মজুদ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাচার করে আসছিল।