1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন

অন্ধ্র প্রদেশে তাণ্ডবের পর ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ যেদিকে এগুচ্ছে

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৭ বার পঠিত
arnob-17808
  • দীপ্ত নিউজ ডেস্ক ::

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব বুধবার রাত ২টা থেকে সকাল ৮টার দিকে অন্ধ্র প্রদেশ ও ইয়ানামের উপকূল অতিক্রম করেছে। এ সময় ঝড়ের গতি অতি তীব্র ছিল, যার সর্বোচ্চ স্থায়ী বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার, দমকা হাওয়া ছিল ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এটি এখন ওড়িশা ও ছত্তিসগড় রাজ্যের দিকে যাচ্ছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টায় ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে ভারি বৃষ্টিতে পরিণত হয়।

এই সময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্ধ্র প্রদেশের কাঁকিনাড়া জেলায় সমুদ্রের জল রাস্তা পার করে এসে লোকের বাড়িতে পর্যন্ত ঢুকে পড়েছে। বহু ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ ও ভারি বৃষ্টি, প্রবল বাতাসের আশঙ্কায় ওড়িশা রাজ্যে ৩১৩টি উদ্ধার দল মোতায়েন করেছে। ঘূর্ণিঝড়টি রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলোর দিকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাজস্ব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী সুরেশ পূজারী এ তথ্য জানান।

প্রস্তুতি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা যাচাইয়ে ভুবনেশ্বরের রাজ্য জরুরি অভিযান কেন্দ্রে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেন পূজারী।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটে কাকিনাড়ায় স্থলভাগে আঘাত হানে এবং অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যের দিকে সরতে থাকে।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ব্যবস্থাটি এখন স্থির আছে। অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে ঢোকার পর এটি উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে মালকানগিরি পৌঁছাবে।

সরিয়ে নেওয়া মানুষকে রাখতে মোট দুই হাজার ৩৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পূজারী আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভবতী নারীদেরও নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে এবং সব মাছ ধরার নৌকা তীরে ফিরে এসেছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত আইএমডির কেন্দ্রগুলোতে রেকর্ড করা বৃষ্টিপাত হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের পরোক্ষ প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলোতেও মেঘলা আকাশ এবং ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ছত্তিসগড়ের দিকে অগ্রসর হওয়ায় রাজ্যের বস্তার-সহ বেশ কয়েকটি জেলায় বুধ ও বৃহস্পতিবার ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ছত্তিসগড় সরকার ইতোমধ্যেই সব জেলার প্রশাসনকে হাই অ্যালার্টে রেখেছে এবং ২৪ ঘণ্টা ত্রাণ শিবির চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি,

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর