1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
পাইকগাছায় হয়রানি ছাড়াই মিলছে ভূমিসেবা, প্রশংসিত ভূমি প্রশাসন বল্লালবাড়িতে ডিবির অভিযানে ১৪০ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ গ্রেপ্তার ২ শিল্পায়ন হতে হবে পরিবেশবান্ধব: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী মৎস্য ঋণ আদায়ে খুলনা বিভাগে শীর্ষে ডুমুরিয়া মৎস্য অফিস; বাধা- অপপ্রচারেও থামেনি কার্যক্রম বাংলাদেশী না বাঙালি জাতীয়তাবাদ: আমাদের দর্শন কোনটা! কয়রা তরুন সংঘের নির্বাচন সম্পন্ন, শামীম হোসেন সভাপতি ও আবু মুছা সম্পাদক নির্বাচিত জেনেভায় জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক  যুব সম্মেলনে সৈয়দপুরের আদনান কয়রায় বিয়ের ১৭ দিনের মাথায় শ্বশুরবাড়িতে যুবকের আত্মহত্যা কয়রায় মাস ব্যাপী গণসংযোগ উপলক্ষে জামায়াতের দাওয়াতী সমাবেশ নারী-শিশুদের কল্যাণ ও অধিকার নিশ্চিতে কাজ করার প্রত্যয় এমপি বিলকিস ইসলাম’র 

আগাম ফুলকপি চাষে ডুমুরিয়ার কৃষকদের মুখে সফলতার হাসি

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৯৯ বার পঠিত

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা।

প্রথমবারের মতো আগাম ফুলকপি চাষ করে সফল হয়েছেন ডুমুরিয়ার বরাতিয়ার তাপস সরকার। মৌসুমী ফসল হিসেবে শীতকালীন আগাম ফুল কপি চাষে রীতিমত বাজিমাত করেছেন তিনি। নতুনদের অনেকেই তাকে দেখে আগাম ফুলকপি চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। প্রতিদিন আশপাশের এলাকার বহু মানুষ তার কপির ক্ষেত পরিদর্শনে আসছেন।

সরেজমিনে তাপসের সব্জি ক্ষেতে কথা হয়, স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি অফিসার কৃষিবিদ প্রকাশ চন্দ্র রায় সাথে। তিনি বলেন, এবার ২ বিঘা জমিতে আগাম ফুলকপি আবাদ করেছেন তাপস। ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় তাপসের পাশাপাশি অন্য কৃষকদের মুখেও হাসি ফুটেছে।

খুলনার ডুমুরিয়ায উপজেলা আগেই সব্জি চাষের জন্য উপযোগী। ফুলকপির পাশাপাশি হরেক রকম সব্জির চাষ হয় এ উপজেলায়। এখানে উৎপাদিত সব্জি নিজ জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও সরবরাহ করা হয়।

খুলনা জেলা অতিরিক্ত উপ পরিচালক মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন জানান, ২০২১-২২ অর্থবছরে সব্জির মূল লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১০ ভাগই চাষ করা হয়েছে আগাম জাতের ফুলকপি।

তিনি জানান, ফুলকপি চাষে বিঘাপ্রতি আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। বাজার দর ভালো হওয়ায় এবার ক্ষেত থেকে পাইকারি দরে বিঘা প্রতি লক্ষাধিক টাকার কপি বিক্রি করা হচ্ছে।

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ ইনসাদ ইবনে আমিন বলেন, ডুমুরিয়া উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া ফুলকপি চাষের উপযোগী। ফলন অনেক ভালো হয়। এবার লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ২০ ভাগ বেশি জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে চাষিদের কপির ভালো ফলনের জন্য পরামর্শ দিয়ে আসছি। বিশেষ করে কোন ধরনের পরিচর্যা নিতে হবে, কখন সেচ, সার, ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। আগাম জাতের কপির ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য আছে। সেইসব বিষয়গুলো আমরা কৃষকদের অবহিত করছি’।

উপজেলা আদর্শ  কৃষক আবু হানিফ বলেন, গত বছর ধান আবাদ করে লোকসান হয়েছিল। তাই এ বছর আমি   আগাম লিডার জাতের ফুলকপি চাষ করেছি। বিঘা প্রতি প্রায় ৬ হাজারের মতো গাছ রয়েছে। প্রতি বিঘা ফুলকপি চাষে খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকা। বাজারে এখন যে দাম রয়েছে তাতে আমি বিঘাপ্রতি প্রায় দেড় লাখ টাকা পাবো।

কৃষক রফিকুল বলেন, আমি ৩৩ শতক জমিতে ফুলকপির চাষ করেছি। ফলন অনেক ভালো হয়েছে। প্রথম চালানে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে প্রায় ১৫০০ কেজি ফুলকপি বিক্রি করেছি। ১০-১২ দিনে সব কপি বাজারজাত করতে পারবো বলে আশা করছি। সচরাচর এমন ভালো দাম পাওয়া যায় না। বাজার অনেক ভালো। এই দর অব্যাহত থাকলে লাভের পরিমাণ বেশি হবে বলেও জানান তিনি।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর