1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ডুমুরিয়ায় ধানের দামের চেয়ে শ্রমিকের মজুরির মূল্যে বেশি মুন্সীগঞ্জের শিলই মাদক নির্মুল কমিটিতে সভাপতি জাকির, ওসমান সম্পাদক জিয়া সাইবার ফোর্স-জেডসিএফ কয়রা উপজেলার আহবায়ক কমিটি গঠন পাইকগাছার সুখেন হত্যা: প্রধান আসামী প্রকাশের যাবজ্জীবন কারদন্ড, স্ত্রী রুপা খালাস কয়রায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপন পাইকগাছায় লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত বেনাপোলে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হাকর নদীতে বেড়িবাঁধ দিয়ে প্রভাবশালীদের দখলে মাছ চাষ কয়রায় মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটিতে আ’লীগ নেতার স্ত্রী সভাপতি, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় প্রাথমিকের ফিডিং কর্মসূচী মিড ডে মিলে’র খাদ্য অনিয়মের প্রমান পেয়েছে কতৃপক্ষ, ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ

জামায়াতের স্পষ্ট পতনের আভাস! ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের জরিপ নিয়ে যা বললেন জাহেদ-উর রহমান

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৩ বার পঠিত
ncp-jbnp-amat-15551

দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রকাশিত ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের সর্বশেষ জরিপে দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ উর রহমান বলেছেন, এই জরিপে জামায়াতে ইসলামীর জন্য একটি স্পষ্ট পতনের আভাস দেখা যাচ্ছে, বিপরীতে বিএনপি উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

ইনোভেশন কনসাল্টিং এর আগে গত ‘মার্চ ও সেপ্টেম্বর মাসে’ পরিচালিত দুটি জরিপে দেখা যায়, বিএনপির সম্ভাব্য ভোটের হার ছিল প্রায় ৪১ শতাংশ, আর জামায়াতের সমর্থন ছিল প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি। ওই দুই জরিপে দলগুলোর অবস্থান মোটামুটি স্থির থাকলেও চলতি বছরের ১৬ থেকে ২৭ জানুয়ারিপর্যন্ত পরিচালিত তৃতীয় জরিপে দৃশ্যপট নাটকীয়ভাবে বদলে যায়।

সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, ৫২ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি জোটের সম্ভাব্য ভোটের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩১ শতাংশে। আগের দুই জরিপের তুলনায় এই পরিসংখ্যান জামায়াতের জন্য কোনো ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয় না।

এই জরিপে মোট ৫ হাজার ১৪৭ জন ভোটারের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আগের দুটি জরিপে অংশ নেওয়া ভোটারদের মধ্য থেকেই এবার নমুনা নির্বাচন করা হয়েছে। ফলে ভোটারদের মতামত কীভাবে বদলেছে, তা তুলনামূলকভাবে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

জরিপে উঠে এসেছে আওয়ামী লীগ ভোটারদের বড় অংশ বিএনপির দিকে, এই শ্রেণির ভোটারদের মধ্যে ৩২.৯ শতাংশ বিএনপিকে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনার কথা বলেছেন, ১৩.২ শতাংশ জামায়াতকে ভোট দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন, এবং ৪১.৩ শতাংশ ভোটার এখনো সিদ্ধান্তহীন অবস্থায় রয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের ভাঙা ভোট জামায়াতের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হারে বিএনপির দিকে যাচ্ছে, যা জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও দুর্বল করছে।

সিদ্ধান্তহীন ভোটারদের মধ্যেও পিছিয়ে জামায়াত। জরিপ অনুযায়ী, এই ভোটারদের মধ্যে ২৬.৬ শতাংশ বিএনপির দিকে ঝুঁকেছেন, যেখানে জামায়াতের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ১৪.১ শতাংশ।

ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী কে হতে পারেন, এই প্রশ্নে জরিপে অংশ নেওয়া ভোটারদের ৪৭.৬ শতাংশ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম উল্লেখ করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখছেন ২২.৫ শতাংশ ভোটার। এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলামের নাম এসেছে মাত্র ২.৭ শতাংশের ক্ষেত্রে।

জরিপ বিশ্লেষণে দেখা যায়, জামায়াতের সঙ্গে জোট গঠনের পর এনসিপির আগের ভোটব্যাংকের একটি অংশ সরে গেছে। ফলে জোট হলেও জামায়াতের মোট ভোটে উল্লেখযোগ্য কোনো সংযোজন ঘটেনি। পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের মতো দলগুলোর আলাদা অবস্থান শেষ মুহূর্তে জামায়াতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

জাহেদ-উর রহমান মনে করিয়ে দেন, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে জনমত জরিপ সবসময় নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভুলভাবে প্রতিফলিত করে না। তবুও একই প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক তিনটি জরিপ একসঙ্গে বিবেচনায় নিলে একটি স্পষ্ট ট্রেন্ড দেখা যায়। বিএনপি ক্রমেই শক্ত অবস্থানে যাচ্ছে, আর জামায়াত সেই গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর