- শেখ মাহতাব হোসেন (ডুমুরিয়া) খুলনা::
উৎপাদিত কপি এখন বাজারজাত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। ডুমুরিয়া উপজেলার সাহস ইউনিয়নের ছোটবন্দ গ্রামের মৃত্যুঞ্জয় মন্ডলের স্ত্রী কিশানি মিতালী মন্ডল ৫ শতক জমিতে রঙ্গিন ফুলকপির চাষ করে ৪৫ হাজার
টাকা বিক্রি করেছে।
ডুমুরিয়ায় রঙ্গিন ফুল কপির বাম্পার ফলন হওয়ায় বেশ খুশি কৃষকরা। চলতি মৌসুমে রঙ্গিন ফুলকপির ভালো ফলন হয়েছে। অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় ফুলকপি চাষ করে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায়
দিন দিন এ অঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ফুলকপি চাষ।
অনুকূল আবহাওয়া, সময়মত বীজ বপন ও সুষম সার ব্যবহারে এবার কফির ফলনও হয়েছে ভালো। এতে লাভের মুখ দেখছেন চাষীরা। এলাকায় উৎপাদিত এসব ফুল কপি চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। এ অঞ্চলের চাষীরা তাদের উৎপাদিত রঙ্গিন ফুল কপি এখন বাজারজাত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাজার দরও পাচ্ছেন ভালো। এতে খুশি কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে নানা প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝেও খুলনার ডুমুরিয়ার খর্নিয়া আদর্শ কৃষক মোঃ আবূ হানিফ মোড়ল ৩৩শতক জমিতে ফুল কপির চাষ করে ১ লাখ টাকা চলতি মৌসুমে মুনফা অর্জন করেছে। তাছাড়া তিনি রকমারি শীতকালীন সবজির আবাদ করেন।
খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় ২৮০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে ফুলকপি। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো বীজ রোপন ও সুষম সারের ব্যবহারের ফলে এবার ডুমুরিয়ায় ফুলকপির বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
উপজেলার কৃষকরা জানান, শীতকালীন সবজি ফুলকপি আবাদ করে ভালো লাভ হওয়ায় এখানকার কৃষকরা রঙ্গিন ফুলকপিসহ শীতকালীন সবজি চাষে ক্রমেই আগ্রহী হয়ে উঠছে। তবে এ বছর নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাঝেও ফুলকপির আবাদ ভালো হয়েছে।
এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদার নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বছর ডুমুরিয়া উপজেলায় প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি জমিতে। অন্য বছরের
তুলনায় এ বছর ফুলকপির ফলনও অনেক বেশিই হয়েছে। ফুলকপির ফলন ভালো হওয়ার কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছ।