- শেখ মাহতাব হোসেন (ডুমুরিয়া) খুলনা::
ডুমুরিয়ায় সিনজেন্টা কোম্পানি লিমিটেড আয়োজনে রিটেইলার এক দিনের মতবিনিময় কর্মশালা ২০২৫ সোমবার সকাল ১১টায় ডুমুরিয়া উপজেলার শেখ আব্দুল মজিদ মিলনায়তনে ডুমুরিয়া বাজারের মেসার্স কৃষি ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী সরদার মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ৫০জন রিটেইলারদেল নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি বক্তব্য দেন সিনজেনটা বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের মোহাম্মদ জাহিদ হাসান, রিজওয়ানল ম্যানেজার, বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সিনজেন্টা কোম্পানি লিমিটেডে এর কেএম বদিউজ্জামান হৃদয় সিনিয়র টেরিটোরি অফিসার, বক্তব্য দেন মোঃ আল মামুন এসএপিও, পরিবেশক মোঃ আজহারুল ইসলাম, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের
সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহাতাব হোসেন, প্রমুখ আলোচনা সভা শেষে রিটেইলারদের পুরস্কার বিতরণ করেন।
বীজ অঙ্কুরোদগম পদ্ধতি: হাইরিজ ধান বীজ পাংকেট থেকে যেয় করে ৩০ দিন রেখে ঠান্ডা করতে হবে। পরিষ্কার পানি দিয়ে বীজ ভালভাবে ধুয়ে দিয়ে ১০-১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রামচন পরিষ্কার পানিতে আরও ১০-১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে।
অতঃপর ভালভাবে পানি নিংড়ে২৪৩ ফেলতে হবে। বীজের হারঃ প্রতি একরে ৫ কেজি বীজ প্রয়োজন। তে হবে। আম সেচ ও মই দিয়ে জমি সমান করে নিতে হবে। উর্বরতা ভেদে শতাংশ প্রতি কেজি পঁচা গোবর বা উরশ সার, ৩০ ১ কেজি টিএসপি, ৬০০ গ্রাম এমপি এবং ৪০০ গ্রাম জিপসাম সার প্রয়োগ করে করে ভাবতে হলে। বেড আকারে বীজতলা তৈরি করতে হবে। প্রতিটি বেডের প্রস্থ হবে ১ মি এবং দুদ্ধ পাশি বেত্তের মধ্যে ৫০ সেটি বাশছ পরীর স থাকতে হবে। মায়া রোপণ পদ্ধতিঃ ২৫-৩০ দিন বয়সী চারা, ৮ ইঞ্চি পর পর সারি করে প্রতি সারিতে ৬ ইঞ্চি দূরত্বে একটি করে সুস্থ সবল চারা সঠিক বাতিয়ে লাগাতে হবে।সার ব্যবস্থাপনাঃ জমির প্রকৃতি ও উর্বরতার উপর ভিত্তি করে বিচ্ছিন্ন এলাকায় সারের মাত্রা বিভিন্ন হতে পারে।
নিম্নে একটি গাড় সারারা উল্লেখ করা হলো যা আপনার নির্দিষ্ট এলাকার জন্য বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত মাত্রার সাথে সমন্বয় করে নিতে হবে।
সিনজেন্টা হাইব্রিড একর প্রতি মাত্রা প্রয়োগের সময়/একর ১ম উপরি প্রয়োগ (রোপণের ১৫-২০ দিন পর) ২য় উপরি প্রয়োগ (রোপণের ৩০-৩৫ দিন পর) ৩য় উপরি প্রয়োগ (রোপণের ৪০-৪৫ দিন পর) ১.৫ কেজি ম্যাগমা ৬ কেজি গ্লোজিন অনুখাদ্য ফসফেট সারের সাথে ব্যবহার করা যাবে না সেচ প্রয়োগঃ চারা রোপণের সময় জমিতে ছিপছিপে (২-৩ সেমি) পানি রাখতে হবে।
পরবর্তীতে ১০-১৫ দিন পর্যন্ত ২-৪ সেমি পানি জমিতে ধরে রাখতে হবে এবং কার্যকরী কুশির সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কুশি পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে ১-২ বার জমি শুকানো এবং সেচ প্রদান (এডব্লিউডি পদ্ধতি) করা যেতে পারে। কাইচ থোর হওয়া থেকে ঢাল শক্ত হওয়া পর্যন্ত জমিতে ৪-৫ সেমি পানি ধরে রাখতে হবে এবং ফসল সংগ্রহের ১০ দিন পূর্বে জমি থেকে পানি বের করে দিতে হবে।
আগাছা, রোগ ও পোকা দমনঃ জমিতে প্রয়োজনে আগাছা, রোগ ও পোকা দমনের জন্য বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে। বালাইনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তার সহায়তা নেয়া যেতে পারে।
ফসল সংগ্রহঃ ফুল আসার ৩০-৩২ দিন পর শতকরা ৮৫ ভাগ ধান পেকে গেলে অর্থাৎ ধান সোনালী বর্ণ ধারণ করলে ফসল সংগ্রহ করতে হবে।