পাইকগাছা প্রতিনিধি::
পাইকগাছার বাউখোলা বদ্ধ জলমহলকে কেন্দ্র করে ভুমিদস্যু কর্তৃক বানোয়াট সাংবাদিক সম্মেলনের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে ডীড মালিক সেলিম জাহাঙ্গীর।
ডীড মালিক লতা গ্রামের আবুবকর মোড়লের পুত্র সেলিম জাহাঙ্গীর লিখিত বক্তব্যে বলেন, লক্ষীখোলা গ্রামের আওয়ামীলীগের সাবেক ওয়ার্ড সভাপতি মৃত সদর উদ্দিন মোল্যার পুত্র অবৈধ্য দখল বাজ সামরুলের মিথ্যা, বানোয়াট হয়রানিমূলক সাংবাদিক সম্মেলনের নিন্দা জ্ঞাপন করন।
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, পাইকগাছার লস্কর ইউপির বাউখোলা বদ্ধ জলমহলটি আলমতলা, লক্ষীখোলা মাঠান, চকবগুড়া, হেতালবুনিয়া, খড়িয়া ঢেমশাখালী মৌজায় সরকারের ১নং খাস খতিয়ানে এস এ ২০৯,২৬৬,১৩১, ১৩২ দাগ সহ মোট ২২ টি দাগে ৮৩.৩৬ একর জমি ছিলো।
যাহা সরকার ইতি মধ্যে বিভিন্ন সালে ভুমিহীনদের মাঝে খাস বন্দোবস্ত প্রদান করেন। বিভিন্ন দলিলে সরকার ৭২.৯৯ একর জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। সরকারের নিকট থেকে ভুমিহীনরা খাস বন্দোবস্ত পেলেও ভুমি দস্যু, অবৈধ দখল বাজ সামরুল ফ্যাসীবাদী সরকারের ক্ষমতা বলে এবং যুবলীগ নেতা আজিজুলের খালাতো ভাই পরিচয়ে ইজারার দোহায় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ভুমিহীনের পেটে লাথি মেরে তাদেরকে প্রকৃত অধিকার থেকে বঞ্চিত করে অবৈধ ভোগ দখল করে রেখেছিল। এবং ভুমিহীদের নামে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে তাদের তাড়িয়ে দিত। উক্ত সম্পত্তি বর্তমান সেটেলমেন্ট জরিপে ভুমিহীনদের নামে রেকর্ড গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক খুলনা, এর নামে ১ নং খাস খতিয়ানে আলমতলা, লক্ষীখোলা, চকবগুড়া,মাঠান ও হেতালবুনিয়া মোট ৫ টি মৌজায় ৪.৮৬ একর জমি রেকর্ড গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। নালিশী জলমহলটি আলমতলা ও লক্ষীখোলা মৌজায়। যেখানে ১ নং খাস খতিয়ানে ১ একর জমিও নাই।উক্ত জলমহল বর্তমান সময়ে কোন মৎস্য জীবি সমবায় সমিতি সরকারের নিকট থেকে ইজারা গ্রহন করে নাই।কারণ সরকার সব জমি ভুমিহীনদের নামে বন্দোবস্ত প্রদান করেছে এবং তাদের নামে রেকর্ড গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। রেকর্ডীয় মালিকরা তাদের জমি দখল নিতে গেলে সামরুল প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে অসহায় মানুষদের প্রকৃত অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে।
অবৈধ ভোগ দখল ধরে রাখার জন্য সুচতুর সামরুল দাগ, খতিয়ান ও জমির পরিমান বিহীন একটি খাস আদায় কাগজ তহসিল অফিস থেকে নিয়ে পূনরায় ভুমিহীনদের জমি দখলের পায়তারা করে। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটলে ভুমিহীনরা তাদের জমি দখল নেওয়ার জন্য ২২ জন ভুমিহীন কৃষক আমার নামে ডীড দিলে আমি তাদের সাথে যৌথভাবে মৎস্য চাষ করছি। উক্ত সম্পত্তি নিয়ে সেনাবাহিনী, থানা সহ বিভিন্ন দপ্তরে শালিসি বৈঠক হলেও সে কোন কাগজ দেখাতে পারিনি। এখানেও সে অর্থ ও কৌশল খাটিয়ে আবার তাদের বিতাড়িত করার চেষ্টা করে।
তিনি লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন সুচতুর সামরুল দাগ খতিয়ান বিহীন খাস আদায় এর একটি কাগজ ছাড়া কিছু দেখাতে না পেরে প্রতিপক্ষ গ্রুপের ইন্দনে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ- সভাপতি আসলাম পারভেজ ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমরান হোসেনের নামে বানোয়াট সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। অথচ উক্ত জলমহলের বিষয়ে তাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। তাদেরকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উক্ত সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। আমি উক্ত সংবাদিক সম্মেলনের নিন্দা জ্ঞাপন করছি।