পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি::
খুলনার পাইকগাছার মেসার্স সসতা ফিসের সত্ত্বাধিকারী শিবপদ মন্ডলের বাড়ীতে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিকে ইস্যু করে উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এস এম এনামুল হকের বহিষ্কারাদেশের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
পাইকগাছা উপজেলা সদরের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে এ সম্মেলনের আয়োজন করেন, ভুক্তভোগী শিবপদ মন্ডল নিজেই।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের শেষ আশ্রয়স্থল। হিন্দু সম্প্রদায়ের জান-মাল রক্ষায় এখন পর্যন্ত তিনি নিজের জীবন বাজী রেখেছেন। বিভিন্ন সময় হিন্দুদের জায়গা-জমি ভূমি দস্যুদের কবল থেকে উদ্ধার সহ লীজ ঘের উদ্ধারের জন্য একাধিক বার সক্রিয় ভূমিকায় তা রক্ষা হয়েছে। এক যুগেরও বেশি সময় আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের প্রহরী হয়ে পাহারা দিয়ে রেখেছেন।
একপর্যায়ে গত ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে তিনি ঐ সময়ে বাড়িতে উপস্থিত ছিলেননা। রাত আনু: সাড়ে ৮ টা থেকে ৯ টার দিকে কে বা কারা লাঠি-শোটা সহকারে তার বাড়িতে ঢুকে ভাংচর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে।
এসময় তার পিতা, কাকা, স্ত্রীসহ অন্যরা বাড়ীতে ছিল। আকষ্মিক ঘটনায় বাড়ির সবাই আতংকগ্রস্ত ও হতভম্ব হয়ে পড়ে। সেদিনের তান্ডবের খবর পেয়ে তিনি তার স্থানীয় আশ্রয়স্থল সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হকের স্মরনাপন্ন হওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ঘটনার সময় তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের সাথে মত বিনিময়ে আছেন।
পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও পত্রিকার প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, আমার (শিব পদ মন্ডল) নাম ব্যবহার করে এনামুল হককে তার রাজনৈতিক দল বিএনপি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এখবরে তিনি হতভম্ব হয়ে পড়েন বলে জানান।
তিনি দু:খের সাথে বলেন, ঘটনার শিকার হয়ে যার নিকট আমি সহযোগীতা চাচ্ছি, যে আমার বাড়িতেই যায়নি, তাকে আমার কারণেই বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সময় তার পিতা পতিরাম মন্ডল, স্ত্রী কৃষ্ণা রানী ম-লসহ কাকা ও ভাইয়েরা উপস্থিত ছিলেন।
দীপ্তনিউজ/গফুর/এসকে-ডি