1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ ভোর রাতে শিক্ষকের বাড়িতে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ধানের গোলা সৈয়দপুরে বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ অক্টোবরে পাইকগাছায় পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৪ মাদক কারবারি, মাদকদ্রব্য উদ্ধার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তোমরা প্রত্যেকে বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর : প্রধানমন্ত্রী মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ডুমুরিয়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে বিএনপি নেতার ছেলেকে গুলি করে হত্যা কয়রায় সাইবার নিরাপত্তায় সচেতনতা বাড়াতে  স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দদের সাথে অ্যাডভোকেসি নতুন বেতনস্কেলে তিন মাসের বকেয়া বিল জমা শুরু ৮ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে উভয় কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের ভূমিধস জয়

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার `সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ পাচ্ছেন শবনম

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৪২ বার পঠিত

দীপ্ত নিউজ, বিনোদন::

কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম কাজ করেছেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সিনেমায়। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অভিনয় দক্ষতা দিয়ে অর্জন করেছেন অসংখ্য সম্মাননা ও পুরস্কার। পাকিস্তানের সিনেমায় তার অবদান এতটাই যে, সেখানে তাকে ‘মহানায়িকা’ও বলা হয়।

এবার দেশটি এই নায়িকাকে তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার সিতারা-ই-ইমতিয়াজ পুরস্কার প্রদান করছে। এটি পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতি সেবার জন্য দেওয়া হয়।

পাকিস্তানের সংবাদপত্র পাকিস্তান অবজারভার জানায়, মহানায়িকা শবনমকে পাকিস্তানের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে অসামান্য অবদানের জন্য সম্মানসূচক এ পুরস্কার দেওয়া হবে। আগামী বছর ২৩ মার্চ এই পুরস্কার প্রধান করা হবে বলে জানায় তারা।

শৈশবেই বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে নাচ শেখেন শবনম। একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে তিনি সুপরিচিতি লাভ করেন। শবনম চলচ্চিত্রে যুক্ত হয়েছিলেন ১৯৫৮ সালে। ১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ সিনেমার মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। এরপরের বছর উর্দু সিনেমা ‘চান্দা’য় অভিনয় করে পাকিস্তানে তারকাখ্যাতি পান।

শবনম বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করলেও দীর্ঘ সময় অভিনয় করেছেন পাকিস্তানের সিনেমায়। পাশাপাশি এ অভিনেত্রী অভিনয় করেছেন পাঞ্জাবি চলচ্চিত্রেও। অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশটির চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ পুরস্কার নিগার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ১৩ বার।

গত শতকের ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে শবনম পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন। সেখানে আশির দশকের শেষ পর্যন্ত একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন তিনি। হয়তো বিশ্বে তিনিই একমাত্র অভিনেত্রী যিনি তিন দশক পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে একটি ইন্ড্রাস্টিতে সর্বোচ্চ জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছিলেন।

১৯৮৮ সালে পুনরায় ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন শবনম। আর নব্বইয়ের দশক থেকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে বসবাস শুরু করেন। সবশেষ তাকে প্রয়াত নায়ক মান্না অভিনীত ‘আম্মাজান’ চলচ্চিত্রে দেখা গেছে। এরপর তাকে আর চলচ্চিত্রে দেখা যায়নি।“

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর